kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ঘর পেয়ে আনন্দে ভাসছেন তাঁরা

চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘আগে কেউ আমাগো ঘর দেয়নি। ঘরছাড়া থেকে কত্ত কষ্ট করেছি। শেখ হাসিনা আমাগোর মা। ভগবানের মতো। সেই জন্যি ঘর বানিয়ে দেছে।’

ঘর পেয়ে এমনই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছিলেন চৌগাছা উপজেলার হাউলি গ্রামের শ্রী জঙ্গল ঘোষের স্ত্রী শেফালী রানী ঘোষ (৪৬)। একইভাবে আনন্দ প্রকাশ করেন ঘর পাওয়া পলুয়া গ্রামের গোরাচাদ পাল (৫৫), পাশাপোল গ্রামের আমির হোসেন (৬৫), বানরহুদা গ্রামের মিলন, মহিমুল্লাহ, পেটভরা গ্রামের রবিউল ইসলাম, রবি মণ্ডল, মুক্তার হোসেন, কুষ্টিয়া গ্রামের শুকুর আলী, মাশিলা গ্রামের শ্রী মদন কুমার, টেংগুরপুর গ্রামের হাসানুজ্জামান, বেড়গোবিন্দপুরের ইদ্রিস আলী, মনমথপুরের মো. আব্দুর গাফফার। কারণ, জীবন ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে যারা দুশ্চিন্তায় ছিল, তারা এখন ঘরের মালিক।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইবাদত হোসেন জানান, আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘আশ্রয়ণ-২’ প্রকল্পের অধীন ‘যার জমি আছে ঘর নাই, তার নিজ জমিতে গৃহ নির্মাণ’ উপপ্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ৫৫১ জন গৃহহীনকে ঘর (টয়লেটসহ) বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর মানবিক এই কাজ যেন বাধাগ্রস্ত না হয় সে জন্য আমরা রাতদিন আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। ২২ জুন থেকে আমরা এ কাজ শুরু করি।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফুলসারা ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী গরিব-দুঃখী মানুষের মায়ের মতো। তাই ঘর নির্মাণের প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করেছি। ইউনিয়নে শত ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।’ পাশাপোল ইউপি চেয়ারম্যান অবাইদুল ইসলাম সবুজ বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে ৪৪টি ঘরসহ টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছে। ঘর পেয়ে গৃহহীনরা যে কত খুশি তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।’

যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণ কিভাবে ভালো থাকবেন সেই ভাবনায় নানা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন। ঘরহারারা আজ ঘর  পেয়েছে। বিশ্বে এমন মহিয়সী নেত্রী কমই আছেন।’

বানরহুদা গ্রামের মিলন বলেন, ‘এখন থেকে নিজের মতো করে পরিবার নিয়ে ঘরে থাকব। এর চেয়ে খুশি আর কী হতে পারে।’ একই গ্রামের মহিমুল্লাহ বলেন, ‘আগে আমার ঘর ছিল না। এখন সরকার ঘর দিয়েছে। এই আনন্দ আমি বোঝাতে পারব না।’ পেটভরা গ্রামের রবিউল ইসলাম বলেন, ‘আমি স্বপ্নেও ভাবিনি আমার নিজের ঘর থাকবে। আজ সেটা সত্যি হয়েছে।’ কুষ্টিয়া গ্রামের শুকুর আলী বলেন, ‘আল্লাহ যেন শেখ হাসিনার হায়াত বাড়িয়ে দেন। তিনি গরিবের কথা ভেবে ঘর বানিয়ে দিলেন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা