kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ নভেম্বর ২০১৯। ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কন্যা সাহসিকা

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কেয়ার স্বপ্ন আকাশছোঁয়া। বড় হয়ে সে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা হবে। পড়াশোনায়ও বেশ ভালো। পঞ্চম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছিল সে। কিন্তু তার স্বপ্নে বাদ সাধেন তার মা-বাবা। তাঁরা মেয়ের লেখাপড়ার পাট চুকিয়ে বিয়ের দিনক্ষণ পাকাপোক্ত করেন। কিন্তু কেয়া তাতে রাজি নয়। তাই সে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তোফায়েল হোসেনকে এ কথা জানায়। পরে ইউএনও সেই বিয়ে বন্ধের ব্যবস্থা করেন।

কেয়ার বাড়ি পাবনার ফরিদপুর উপজেলার ডেমরা ইউনিয়নের মাঝাঁট গ্রামে। বাবার নাম জাফর আলী। কেয়া উপজেলার ডেমরা কে টি দাখিল মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

জানা গেছে, কেয়ার অনিচ্ছা সত্ত্বেও তার মা-বাবা তাকে বিয়ে দিতে উঠেপড়ে লাগেন। শুক্রবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তার বিয়ের দিন ধার্য করা হয়। আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকাবাসীকে দাওয়াতও দেওয়া হয়। কিন্তু বিয়ের ছয়-সাত দিন আগে কেয়া ইউএনওর কাছে তার অনিচ্ছার কথা জানায়। পরে ইউএনওর পরামর্শে মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসন কেয়ার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে অবহিত করে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

ডেমরা কে টি মাদরাসার সুপার আবু তালেব জানান, কেয়া অত্যন্ত মেধাবী। ভবিষ্যতে সে সমাজের দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা