kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বানিয়াচংয়ে দুই পরিবার একঘরে

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জলাশয়ের মালিকানা দ্বন্দ্বে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার আমিরখানী মহল্লায় গত শনিবার দুটি পরিবারকে একঘরে করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা প্রতিকার চেয়ে গত বুধবার হবিগঞ্জ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, বানিয়াচং উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি জলাশয় ইজারা নেন জাহিদুল ইসলাম জাকু। আর জাহিদুলের কাছ থেকে আমমোক্তার নিযুক্ত হয়ে ফুল মিয়া ২৫ বছর ধরে জলমহালটি ভোগদখল করে আসছেন। ইদানীং ফুল আমিরখানী মহল্লার মসজিদের কাজে অনিয়মের প্রতিবাদ করেন। এতে গ্রামের মাতবর আমজাদ ক্ষিপ্ত হন। জলাশয় দখল করার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করেন ফুল ও তাঁর ভাই মোতাহের মিয়ার কাছে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় এলাকাবাসীকে ক্ষেপিয়ে তোলা হয়। পরে তাঁদের সমাজচ্যুত করা হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সর্দার আমজাদ ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে কেউ বিরোধিতা করলে নেমে আসে নির্যাতন।

মোতাহের মিয়া বলেন, ‘মহল্লার যৌথ তহবিলের টাকা সব বাসিন্দার মধ্যে বণ্টন করা হলেও আমার ভাই ফুল মিয়াকে যৌথ ভাগের টাকা দেওয়া হয় নাই। এমনকি লোকজনকে বারণ করে দেওয়া হয়েছে আমাদের সঙ্গে যেন কথাবার্তা না বলে।’

অভিযোগকারী ফুল মিয়া বলেন, ‘মসজিদ নির্মাণকাজে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় আমজাদ ও তাঁর লোকজন আমাকে ও আমার ভাইয়ের ওপর বিভিন্ন ধরনের নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের একঘরে করে রাখা হয়েছে। আমরা উপজেলা প্রশাসনেও লিখিত অভিযোগ করেছি। এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই।’

আমিরখানী মহল্লার মাতবর আমজাদ হোসেন বলেন, ‘সমাজচ্যুত করার অভিযোগ সঠিক নয়।’

বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন খন্দকার বলেন, ‘অভিযোগের ব্যাপারে বানিয়াচং থানার ওসি ও উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা