kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

মারকুটে চেয়ারম্যান-মেম্বার

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মারকুটে চেয়ারম্যান-মেম্বার

হোসেন আলী

যশোরের শার্শা উপজেলার ডিহি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের হাতে একজন ও ইউপি সদস্যের (মেম্বার) হামলায় আহত হয়েছে দুজন।

বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা দুটি ঘটে। আহত কামাল (৪৪) ও জামাল (৪২) গোপিনাথপুর গ্রামের হাবুল বেপারির ছেলে এবং নবীছ উদ্দিন (৪৮) পাকশি গ্রামের সুলতান খাঁর ছেলে। আহতদের স্থানীয় নাভারন বুরুজবাগান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

দুই ভাই কামাল ও জামাল জানান, তাঁর বোন তহুরন নেছার জন্য সম্প্রতি গ্রামের আব্বাছের কাছ থেকে ১১ শতাংশ জমি কেনা হয়। স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী ইউপি সদস্য সালাম মালিককে জমি লিখে দিতে নিষেধ করেন। তিনি দুই ভাইকে বলেন, ‘ওখান থেকে আমাকে ৪ শতাংশ জমি নতুবা এক লাখ টাকা দিতে হবে।’ টাকা ও জমি দিতে রাজি না হওয়ায় সালাম ও তাঁর বাহিনীর আকরাম, বাদশা, ছলেমান ও সামারুলকে নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। তাঁদের বেদম মারধর করে আহত করে। স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। তাঁরা বলেন, ‘চোরাচালানি সালাম এভাবে এলাকায় নিরীহ জনগণের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে।’

এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য সালাম বলেন, ‘তাদের মারধর করা হয়নি। নিজেরাই মারধর করে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।’

অন্যদিকে একই ইউনিয়নের পাকশি গ্রামের নবীছ উদ্দিন বলেন, ‘মাঠে খেলা করার সময় একটি ক্রিকেট বল স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হোসেন আলীর ভাইয়ের দোকানে পড়ে। চেয়ারম্যান ডেকে আমার ভাতিজা রনিকে মারধর করে। ভাতিজাকে মারার প্রতিবাদ করলে চেয়ারম্যান তাঁকে আটকিয়ে বেধড়ক মারধর করে সারা শরীর রক্তাক্ত করে দেন। এলাকায় চেয়াম্যান ও তাঁর মেম্বারদের দাপটে সাধারণ মানুষ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।’

এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান হোসেন আলী বলেন, ‘আমি তাকে মারধর করিনি। ঘটনার এক ঘণ্টা পর আমি ঘটনাস্থলে যাই।’

শার্শা থানার পরিদর্শক এম মশিউর রহমান বলেন, ‘এসংক্রান্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

যশোরের শার্শা উপজেলার ডিহি ইউনিয়নে পৃথক ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের হাতে আহত বাঁ থেকে—নবীজ উদ্দিন, কামাল ও জামাল।    ছবি : কালের কণ্ঠ

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা