kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

চুনারুঘাটে শ্রমিক হত্যা

দিরাইয়ে ভাইয়ের আঘাতে মৃত্যু

প্রিয় দেশ ডেস্ক   

৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে ছোট ভাইয়ের রডের আঘাতে বড় ভাই খুন হয়েছেন। হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে এক চা শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শেরপুরের নকলায় যুবকের ও শ্রীবরদীতে ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বুধবার বিকেলে ও গতকাল বৃহস্পতিবার এসব ঘটনা ঘটে। কালের কণ্ঠ’র প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

হবিগঞ্জ : চুনারুঘাটের (ভারত সীমান্তে) সাতছড়ি চা বাগানে খুন হওয়া শ্রমিকের নাম খোকন তাঁতী (৩০)। তিনি সাতছড়ি চা বাগানের মৃত দয়া তাঁতীর ছেলে। গতকাল দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সাতছড়ি চা বাগানের শ্রমিক খোকন তাঁতীর সঙ্গে তাঁর বোনের দেবর মৃত মধুসূদন তাঁতীর ছেলে কাজল তাঁতীর কাঠের ব্যবসার পাওনা টাকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে বুধবার বিকেলে উভয়ের মধ্যে বাগিবতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে খোকনকে কাজল বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন। রাতে খোকন বমি করেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় লোকজন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করে। দুপুরে হাসপাতালের চিকিৎসক খোকনকে ইসিজি করতে গিয়ে দেখেন, তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

সুনামগঞ্জ : দিরাই উপজেলার কালিনগর গ্রামে বৃহস্পতিবার সকালে খুন হন আকিল শাহ (৫৬)। তিনি এই গ্রামের বাসিন্দা। আকিলের পরিবার ও পুলিশ জানায়, বুধবার কালিনগরের সিদ্দিক শাহর (৫০) গরু তাঁর ভাই আকিলের শিমগাছ খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের স্ত্রীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এর জেরে বুধবার রাতে পেছন থেকে আকিলের মাথায় রড দিয়ে আঘাত করেন সিদ্দিক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে প্রথমে দিরাই হাসাপাতালে ও পরে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। দিরাই থানার ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

শেরপুর : নকলার রাহেরচর গ্রামের পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের শিকদারপাড়া ঘাটসংলগ্ন মাষকলাই ক্ষেত থেকে বুধবার রাতে আমিরুল ইসলামের (২০) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি রাহেরচরের নজরুল ইসলামের ছেলে। নকলা থানার ওসি খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী জানান, আমিরুল ইসলাম গাজীপুরে নানা কাজ করে চলতেন। কয়েক দিন আগে তিনি ঢাকা থেকে বাড়িতে বেড়াতে আসেন এবং ঘটনার দিন সন্ধ্যায় বাড়ির অদূরে ইসলামী সভায় আলোচনা শুনতে যান। সভা চলাকালে স্থানীয়রা মাষকলাই ক্ষেতে একটি মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। এদিকে শ্রীবরদী শহরের পোড়াগড় বাজারে নিজের কাঁচামালের দোকান থেকে বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যবসায়ী তারা মিয়ার (৫০) ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তারা মিয়া বড় পোড়াগড় গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। শ্রীবরদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিল্টন মণ্ডল তারা মিয়ার পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে জানান,  প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়ি থেকে পোড়াগড় বাজারে তাঁর দোকানের উদ্দেশে বের হন তারা। পরে তিনি দোকানের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে আর বের হননি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা