kalerkantho

শুক্রবার । ১৯ জুলাই ২০১৯। ৪ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৫ জিলকদ ১৪৪০

গাজীপুরে দুজনকে ফাঁসির আদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর   

৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাজীপুরের টঙ্গীতে র‌্যাব সদস্যের স্ত্রী সালমা হত্যার দায়ে দুজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক ওই রায় দেন। একই সঙ্গে আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলো পটুয়াখালী সদর উপজেলার সিকেওয়া বুনিয়া গ্রামের মৃত নাসির হাওলাদারের ছেলে মো. আবুল বাশার হাওলাদার ও একই উপজেলার তিওকাটা গ্রামের আপ্তের আলী ঘরামি ওরফে আফতাব আলীর ছেলে হারুন ঘরামি ওরফে বাবুল। রায় ঘোষণার সময় আবুল বাশার আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাকসাখোলা গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ শেখের ছেলে শেখ ওমর আলী বিজিবিতে নায়েক পদে কর্মরত ছিলেন। পরে তিনি প্রেষণে র‌্যাব-৪ সাভারের নবীনগরের ক্যাম্পে যোগ দেন। কর্মরত থাকা কালে ২০১৪ সালের ৮ নভেম্বর দুপুরে খবর পান টঙ্গীর বড়দেওড়া খাঁপাড়া রোড এলাকার বাসায় তাঁর স্ত্রী সালমা সুলতানা ওরফে সাথী দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন। তিনি বাসায় গিয়ে জানতে পারেন, ঘটনার দিন দুপুরে তাঁদের পূর্বপরিচিত কুলসুম তাঁর স্ত্রী সালমার কাছে যায়। মেইন গেটে নক করার পর ভেতর থেকে দুজন অজ্ঞাতপরিচয় পুরুষ দরজা খুলে টানাহেঁচড়া করে কুলসুমকে ভেতরে নিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এ সময় ওই দুই ব্যক্তি দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যায়। প্রাণহীন সালমা আক্তারের লাশ রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকে। ওই দিনই তিনি বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় দুজনকে আসামি করে টঙ্গী থানায় মামলা করেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি মো. সামসুল হক ওই মামলায় মো. আব্দুল বাশার হাওলাদার, মো. হারুন ঘরামি ওরফে বাবুল, মো. সোনা মিয়া, রাজীব মোল্লা ও পনু মিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১৫ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণশেষে আদালত তিনজনকে খালাস দিয়ে ওই রায় ঘোষণা করেন।

মন্তব্য