kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সাবেক মন্ত্রীর ব্যক্তিগত ফার্মের হিসাবরক্ষক খুন

ধর্ষণের জেরে হত্যা

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

২৭ আগস্ট, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কেরানীগঞ্জে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার ব্যক্তিগত ল ফার্মের হিসাবরক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তার চারজন।

গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত রক্তমাখা চাপাতি, শার্ট ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

গতকাল শুক্রবার সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ সার্কেল) মিনহাজ উল ইসলাম, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মনিরুল ইসলাম, উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান, শরিফুল হক ও সানাউল হক প্রমুখ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন শফিকুল ইসলাম অরণ্য, তাঁর স্ত্রী, শাশুড়ি ও খালাশাশুড়ি। মামলার তদন্ত শুরুর পাঁচ দিনের মাথায় তাঁদের গ্রেপ্তার করল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের মুজাহিদনগর থেকে গত ২০ আগস্ট সকালে মো. আমিনুল ইসলামের (৪৪) গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই দিন নিহতের বড় ভাই মো. রেজানুর ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, আমিনুল অরণ্যের স্ত্রীর গৃহশিক্ষক ছিলেন। সেই সুবাদে তিনি তাঁকে ধর্ষণ করেন। পরে নির্যাতনের ভিডিও আছে বলে ভয় দেখিয়ে একাধিকবার নির্যাতন করেন। বিষয়টি মেয়ের মা জানার পর আমিনুলকে বাধা দেন। তখন আমিনুল তাঁর মাকেও অনৈতিক প্রস্তাব দেন।

মেয়েটির বিয়ের পর আমিনুল নির্যাতনের ভিডিও ইন্টারনেটে প্রকাশের হুমকি দেন। মেয়েটির ছোট বোনকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৯ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মেয়ের ভাড়া বাড়িতে বসে ওই চারজন হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরে মুরাদনগর এলাকায় আমিনুলকে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন তাঁরা।

ঘটনার পর তাঁরা চট্টগ্রামের হাটহাজারী চলে যান। পরে সোর্স ও বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা