kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জুন ২০২২ । ১৪ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৭ জিলকদ ১৪৪৩

সুন্দরবনে 'বন্দুকযুদ্ধ'

বনদস্যুপ্রধান নিহত

বাগেরহাট ও বরগুনা প্রতিনিধি   

১ অক্টোবর, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে কথিক বন্দুকযুদ্ধে বনদস্যু সাগর-সৈকত বাহিনীর প্রধান আক্কাস ওরফে রহিম ওরফে জামাই রহিম (২৫) নিহত হয়েছে। গতকাল বুধবার ভোরে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার আমড়াগাছিয়া খাল এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে।

নিহত বাহিনী প্রধান আক্কাস ওরফে জামাই রহিমের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা গ্রামে। তবে র‌্যাব সদস্যরা তার বাবার নাম জানাতে পারেননি।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কাতলার খাল এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে বনদস্যু সাগর-সৈকত বাহিনীর তিন সদস্য মারা যায়। এ নিয়ে এক বছরে সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনজন বাহিনীপ্রধানসহ ১৩ দস্যু নিহত হলো।

র‌্যাব বরিশাল-৮-এর উপ-অধিনায়ক মেজর আদনান কবির জানান, একদল বনদস্যু সুন্দরবনের আমড়াগাছিয়া খালে জেলেদের কাছে চাঁদা দাবি করছে-এমন খবর পেয়ে র‌্যাব সদস্যরা মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালান। গতকাল বুধবার ভোরে র‌্যাবের একটি দল আমড়াগাছিয়া খালে পৌঁছালে একদল বনদস্যু গুলি ছুড়তে থাকে। এ সময় র‌্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। গোলাগুলির একপর্যায়ে ভোর ৬টার দিকে দস্যুরা পিছু হটলে বন তল্লাশি করে বনদস্যু সাগর-সৈকত বাহিনীপ্রধান আক্কাস ওরফে জামাই রহিমের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

মেজর আদনান কবির আরো জানান, জামাই রহিম সাগর-সৈকত নামের বাহিনী গঠন করে দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় জেলে-বাওয়ালিদের ট্রলারে ডাকাতি ও তাদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। মুক্তিপণের টাকা না পেলে জেলেদের হত্যা করা হতো। ওই বাহিনীর অত্যাচারে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেরা অতিষ্ঠ ছিল। সাগর-সৈকত বাহিনীর বিরুদ্ধে বাগেরহাট ও বরগুনার বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও দস্যুতার একাধিক মামলা রয়েছে।

র‌্যাবের দেওয়া তথ্যমতে, উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে চারটি ওয়ান শ্যুটারগান, তিনটি একনলা বন্দুক, পাঁচটি কাটা রাইফেল, দুটি দোনলা বন্দুক, একটি এয়ারগান, ৯৮ রাউন্ড গুলি, সাতটি ধারালো অস্ত্র, ৩১ রাউন্ড গুলির খোসা, তিনটি বান্ডুলিয়ার, তিনটি সিম কার্ডসহ একটি মোবাইল ফোনসেট, দুটি টর্চ লাইট, বিপুল পরিমাণ রেশনিং সামগ্রী, চাঁদা আদায়ের কার্ড ও তৈজসপত্র। পরে বাহিনীপ্রধানের মৃতদেহ সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়।

 



সাতদিনের সেরা