kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

‘ট্রফিটা যদি স্যারের হাতে দিতে পারতাম’

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘ট্রফিটা যদি স্যারের হাতে দিতে পারতাম’

আকবর আলী

তৃণমূলে ফুটবলের জন্য নিভৃতে কাজ করে গেছেন আকবর আলী। বাংলাদেশ জাতীয় নারী দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের কোচ তিনি। ফুটবলে এমন অনেক সাবিনা গড়ে উঠেছেন আকবর আলীর হাত ধরে। কখনো তিনি কোচ, কখনো বাবার ভূমিকায়।

বিজ্ঞাপন

নিজের মেয়েদেরও ফুটবলার বানিয়েছেন। দুই যমজ মেয়ে রিক্তা ও মুক্তা খেলেছেন বয়সভিত্তিক নারী ফুটবল দলে। সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের নিজের আগ্রহে ফুটবল মাঠে নিয়ে যেতেন। নিজের বাড়িতে রেখে অনুশীলন করাতেন। পড়াশোনার খরচও মেটাতেন। দেশের ফুটবলের প্রথম পেশাদার নারী কোচ ও সাবেক ফুটবলার মিরোনা খাতুন, জাতীয় দলের ফুটবলার সুরাইয়া খাতুন, মাসুরা পারভীনদেরও কোচ ছিলেন আকবর আলী। দেশের সাবেক দ্রুততম মানবী শিরিনও তাঁর হাতে গড়া। সাতক্ষীরায় তৈরি করেছিলেন জ্যোতি ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নামের ফুটবল একাডেমি। কিন্তু তাঁর শিষ্যদের সবচেয়ে বড় সাফল্যটা দেখে যেতে পারলেন না। কিছুদিন আগেই পাড়ি জমিয়েছেন অনন্তলোকে। ছলছল চোখে সাবিনা খাতুন বললেন, ‘তাঁর মতো মানুষ ছিলেন বলেই আজ আমি সাবিনা হতে পেরেছি। স্যারের হাতে যদি ট্রফিটা তুলে দিতে পারতাম, তাহলে আমার মতো খুশি আর কেউ হতো না। ’

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার সূতি ভি এম সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষক গোলাম রায়হান বাপন। জাতীয় নারী ফুটবলের দলের কৃষ্ণা রানী সরকার বেড়ে উঠেছেন তাঁর হাত ধরেই। ছবিতে প্রিয় বাপন স্যারের সঙ্গে কৃষ্ণা রানী সরকার।



সাতদিনের সেরা