kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৯  মে ২০২০। ৫ শাওয়াল ১৪৪১

[ কী চমৎকার দেখা গেল! ]

রঙ্গভরা বঙ্গদেশ

অনলাইনে মজার মজার গল্প, বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুক, সাম্প্রতিক বিষয়-আশয় নিয়ে নিয়মিত স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন পাঠক-লেখকরা। সেগুলোই সংগ্রহ করলেন মেহেদী আল মাহমুদ।

৭ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



রঙ্গভরা বঙ্গদেশ

এবারকার মতো দে

কাল রাতের ঘটনা, স্টেশনে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছি। একটু দূরে দুটি অল্পবয়সী ছেলে। রীতিমতো এক্সিকিউটিভ ড্রেসকোড দুজনেরই। বোঝাই যাচ্ছে কোনো একটি ট্রেন থেকে নেমেছে দুজনে। এবার বাড়ির দিকে যাবে। তার আগে একটু গল্পগাছা হচ্ছে আর কি!

তারপর খেয়াল করলাম যে নাহ! ঠিক গল্প তো নয়! একজন আরেকজনের থেকে হাত পেতে কিছু চাইছে, আর অন্যজন মাথা নেড়ে ক্রমাগত না বলছে।

চাইতে চাইতে ছেলেটি নিচু হয়ে প্রায় কৃতাঞ্জলি হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। আমি চায়ের ভাঁড় হাতে নিয়ে একটু কাছে গেলাম। ব্যাপারখানা কী! আবার একটু একটু কথাবার্তা কানে আসছে! একজন বলছে, দে না ভাই, এরম করছিস কেন?

আরেকজন বলল, কী করবি তুই নিয়ে?

অন্য ছেলেটি পেটে হাত দিয়ে বলল, খুব খিদে পেয়েছে রে ভাই। বলে চায়ের দোকানের দিকে দেখিয়ে বলল, একটু পাউরুটি, ঘুগনি খাব, দে না রে!

আমি আবার মন দিয়ে ছেলে দুটোকে দেখলাম জামা, প্যান্ট, জুতা, ঘড়ি সব। নাহ, বিশেষ তফাত তো নেই! অন্তত যা শুনছি সে রকম তো মোটেই নয়। তাহলে কেসটা কী?

এবার অন্য ছেলেটি ঝাঁঝিয়ে বলল, নিজের সবটা খরচ করে অন্যের কাছে হাত পাততে লজ্জা করে না? আমার লাগলে কী করব? চল, হবে না ভাগ!

এবার এদিকের ছেলেটি প্রায় কেঁদে ফেলে বলল, এবারকার মতো দে আর কোনো দিনও চাইব না। প্লিজ, বিশ্বাস কর, খুব খিদে পেয়েছে রে!

শুনে আমারই খুব মায়া হলো। ভাবছিলাম, এগিয়ে গিয়ে হেল্প করব কি না, কিন্তু তার দরকার হলো না। ছেলেটি বিরক্তি সহকারে পকেটে হাত ঢুকিয়ে বলল, তুই আর শুধরালি না। নে, হতভাগা—বলে লাইফবয় হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ছোট শিশিটা বের করে আনল। অন্য ছেলেটি পূজার প্রসাদ নেওয়ার মতো করে নিচু হয়ে কৃতাঞ্জলিপুটে কয়েক ফোঁটা নিজের হাতে ঢালল। তারপর হাতে হাতে ঘষতে ঘষতে দাঁত বের করে এগিয়ে গেল চায়ের দোকানের দিকে পাউরুটি-ঘুগনি খাবে বলে।

অজ্ঞাত

 

ছেলে আমার সিমটা খেয়ে ফেলেছে

নারী : হ্যালো! এটা কি কাস্টমার কেয়ার?

কর্মকর্তা  হ্যাঁ, ম্যাডাম বলুন। আমরা কিভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি।

নারী : বলছি আমার ছেলে আমার সিমটা খেয়ে ফেলেছে।

কর্মকর্তা : দেখুন, আপনি ওকে ইমিডিয়েট ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান, এখানে ফোন করে সময় নষ্ট করছেন কেন?

নারী : না, আমি বলছিলাম আমার সিমটাতে ২০০ টাকার টকটাইম আছে।

কর্মকর্তা : তাতে কী?

নারী: যতক্ষণ না পর্যন্ত সিমটা বের করা হচ্ছে; ততক্ষণ আমার ছেলেটা যদি কথা বলে, তাহলে আমার ব্যালেন্স কাটা যাবে না তো?

 

একচিমটি

♦       স্ত্রী গেছে বাপের বাড়ি। স্বামী এই সুযোগে স্ত্রীর একটি ছবি দেয়ালে টাঙিয়ে সেই ছবিকে নিশানা বানিয়ে দূর থেকে ছুরি নিক্ষেপ করছে। কিন্তু একবারও লাগাতে পারছে না। প্রতিবারই মিস করছে। এমন সময় স্ত্রী টেলিফোন করল।

         স্ত্রী : কী করছ ডার্লিং?

         স্বামী : তোমাকে মিস করছি।

         হায়দার খান

 

♦       যে কাচের গ্লাসটা ভাঙল তার হাত কাটেনি; যে কাচগুলো জোড়া দিতে চেয়েছিল, ক্ষতবিক্ষত সে।

সংগৃহীত

 

♦       দীর্ঘ এক বছর পেঁয়াজ ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রেম করে গতকাল মেয়েটি পালিয়ে গেছে জনৈক মাস্ক ব্যবসায়ীর সঙ্গে।

         আমীর মাহমুদ

 

♦       মানুষ আমাকে অনেকবার ধোঁকা দিসে

         বউভাতে ডেকে নিয়ে শুধু ‘ভাত’ দিসে!

         রাসেল

 

♦       পত্নী : আমাদের দুজনের মধ্যে কে বোকা?

         পতি : সবাই জানে তুমি খুব চালাক, তাই তুমি কখনোই একটা বোকাকে বিয়ে করবে না।

         ইমাম হোসেন রাজ

 

♦       মোবাইলের ওয়ালপেপারে আমার প্রেমিকার ছবি দেখে মা জিজ্ঞেস করলেন, এইটা তোর প্রেমিকা?

         আমি বললাম, হ্যাঁ! সুন্দর না?

         মা বললেন, আসলেই সুন্দরী মেয়েদের চয়েস খারাপ হয়।

মাহবুবুর রহমান আদর

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা