kalerkantho

শনিবার । ৯ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৪১

হাসিব হলি বডিবিল্ডার

২০১৫ সালের মিস্টার বাংলাদেশ, ২০১৭ সালে মিস্টার এশিয়া খেতাব জিতেছেন হাসিব মোহাম্মদ হলি। ২০১৮ সালে মিস্টার ওয়ার্ল্ডে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করা বডিবিল্ডার। ভারত-বাংলাদেশ বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপেরও উদ্যোক্তা তিনি। রাজধানীর মগবাজারে একটা ট্রেনিং সেন্টারও গড়েছেন। তাঁর সঙ্গে গল্প করে এসেছেন মীর হুযাইফা আল মামদূহ

২৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



হাসিব হলি বডিবিল্ডার

চলতি বছরের জুনে ওয়ার্ল্ড ফিটনেস ফেডারেশনের আয়োজনে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে ডাব্লিউএফএফ ইউনিভার্স। আর নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ায় ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ। উভয় প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন হাসিব

বড় প্রতিযোগিতা থাকলে গুরুর দ্বারস্থ হন প্রতিবারই, না হলে প্রস্তুতিতে দম আসে না। মাঝের এক বছর শরীরকে বিশ্রাম দিয়েছেন। এই বছর খেলার খবর পেয়েই গুরুর কাছে চলে গিয়েছিলেন। গুরু থাই ব্যায়ামবিদ, সাবেক মিস্টার ওয়ার্ল্ড ডক্টর সিত্থি। এখন তাঁর গাইডলাইন ফলো করছেন হাসিব। ব্যায়াম করেন দুই বেলা, সকালে নাশতার আগে করেন কার্ডিও, অর্থাত্ ট্রেডমিল, সাইক্লিং—এসব। রাতে অফিস থেকে ফিরে করেন ওয়েট ট্রেনিং। প্রতিদিন একেকটা বডি পার্ট নিয়ে কাজ করেন। আজ ধরুন হাতের ব্যায়াম, কাল তাহলে হয়তো পায়ের, পরদিন চেস্টের। এভাবে টানা তিন মাস করবেন। তারপর আরো কঠিন অনুশীলন। তখন দিনে দুবার করেই ওয়েট ট্রেনিং করবেন। দুবার করে কার্ডিও। 

খাবারের রুটিন? জানালেন, সকালে দুই থেকে তিনটি লাল আটার রুটির সঙ্গে চার-পাঁচটি ডিম পোচ করে খান। দুপুরে অফিসে যাওয়ার আগে প্রমাণসাইজ মুরগির চার ভাগের এক ভাগ খান বারবিকিউ করে। অফিসে লাঞ্চ। সন্ধ্যায় বারবিকিউ বা ভাপানো মম খেয়ে বাসায় ফেরেন। এসে এনার্জি সাপ্লিমেন্ট খান, তারপর ব্যায়াম। ব্যায়াম করে প্রোটিন পাউডার নেন। আর রাতে শুধু ওভেন বেকড বারবিকিউ, সঙ্গে সালাদ। শেষ সাত দিনের রুটিন থাকে সবচেয়ে আঁটো। তখন লবণ খাওয়া ছেড়ে দিতে হয়, যাতে শরীরের পেশিগুলো বের হয়ে আসে। কারণ লবণ চামড়ার নিচে পানি ধরে রাখে। লবণ ছেড়ে দিলে পানি কমে যায়, পেশিগুলো বের হয়ে আসে। এই সময়টা একজন ব্যায়ামবিদের সবচেয়ে সেনসিটিভ সময়, পেশি বেরিয়ে আসে ঠিকই; কিন্তু শরীর থাকে প্রচণ্ড দুর্বল। খেলা হয়ে গেলেই তাই খুব খেতে হয়। হাসিবের জিমটা নিজের। সেখানে নিজে ব্যায়াম করেন, একই সঙ্গে এটাকে ট্রেনিং ইনস্টিটিউট হিসেবেও ব্যবহার করেন। সেখানে বসেই গল্প জুড়ে দিলাম আমরা।

 

হাসিব বলে চললেন

‘মানুষের বডি তিন ধরনের—এক্টোমর্ফ, মেসোমর্ফ, এন্ডোমর্ফ। এক্টোমর্ফ বডি হচ্ছে স্কিনি। এঁদের ওজন স্বভাবতই কম আর কমতে থাকে। আর এন্ডোমর্ফ হচ্ছে চর্বিসর্বস্ব। এঁদের ওজন শুধু বাড়ে। আর মেসোমর্ফ হচ্ছে পেশিবহুল। যাঁরাই ব্যায়াম করেন, ছেড়ে দিলে বডি ধরন অনুযায়ী আচরণ করে। মানুষের মধ্যে একটা ভুল ধারণা আছে যে ব্যায়াম ছেড়ে দিলে মানুষ মোটা হয়ে যায়, আসলে তা নয়। আমার বডি হচ্ছে এন্ডোমর্ফ।

ফলে আমাকে ব্যায়ামেই থাকতে হয় সব সময়। নইলে বেশি ফ্যাট জমে গেলে সেটা কমাতে কষ্ট বেশি। এখন আমার শরীরে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ ফ্যাট আছে, এটি কমিয়ে ৭ থেকে ৮ শতাংশে আনতে পারলেই খেলার উপযুক্ত হয়ে যাব।’

ছবি : মোহাম্মদ আসাদ

লুকিয়ে লুকিয়ে জিমে যেতাম

বাবাও বডিবিল্ডার ছিলেন। ১৯৭৪ সালের দিকে তিনি মিস্টার ঢাকা প্রতিযোগিতায় প্লেস করেছিলেন। তাঁর রক্তই আমাকে পেয়ে বসেছিল হয়তো। প্রথম জিমে যাই ২০০৬ সালে। তখন স্কুলে ক্লাস এইটে পড়ি। কিন্তু বাবা চাননি আমি বডিবিল্ডিং করি। কারণ এই পেশার কোনো ভবিষ্যত্ ছিল না। আমি ছাত্র হিসেবেও ভালো ছিলাম। তবে বডিবিল্ডিং ভালো মানুষেরা করে না—এমন একটা জনশ্রুতি ছিল। কিন্তু তখন আমার কাছে আসলে ভবিষ্যত্ বা অন্য কোনো চিন্তা ছিলই না, নেশার মতোই ছিল ব্যাপারটা। লুকিয়ে লুকিয়ে জিমে যেতে শুরু করি। কোচিং করে জিমে গিয়ে পরে বাসায় আসতাম।

প্রথম খেলি ২০০৯ সালে, মিস্টার বাংলাদেশে। তখন আমি নটর ডেম কলেজের ছাত্র। জুনিয়র ক্যাটাগরির জন্য আবেদন করতে গেলাম। কিন্তু তখন আমি গায়েগতরে একটু বড়সড়। মিস্টার বাংলাদেশ জুনিয়রের চেয়ে ওজন বেশি ছিল। তাই আয়োজকরা আমাকে সিনিয়র ক্যাটাগরিতে খেলতে বললেন। খেললাম। কিন্তু কোনো প্লেস হলো না। বাসার চাপ এবার আরো বেড়ে গেল। বাবা এলাকার জিমে গিয়ে বলে দিলেন, আমাকে যাতে ঢুকতে না দেওয়া হয়। তখন অন্য এলাকার জিমে যেতে শুরু করলাম। আমার কোনো বন্ধু সার্কেল ছিল না। নিজের নেশাতেই ডুবে ছিলাম। ২০১১ সালে সিটি করপোরেশনের আয়োজনে মিস্টার ঢাকায় খেললাম। সেখানে পঞ্চম হলাম। এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়ার পর মনে হলো এসিসিএ করব। ধানমণ্ডিতে বিমসে ভর্তি হয়ে গেলাম হায়ার ন্যাশনাল ডিপ্লোমায়। দেড় বছরের কোর্স। সেটা করার পর এসিসিএর কোর্স শুরু করা যায়। ওই সময় জিগাতলার রাইফেলস স্কয়ারে একটা জিম ছিল, সেখানে সপ্তাহে দুদিন ওয়ার্কআউট করতাম। তারপর ওই জিমের মালিক আমাকে জিমে সময় দিতে বললেন। সেখানে ট্রেইনার হিসেবে ছয় মাস ছিলাম। সেখান থেকে আরেকবার মিস্টার বাংলাদেশ খেললাম। কিন্তু প্লেস করতে পারলাম না। আমার বডি ভালো ছিল। খুব একটা টেকনিক জানতাম না বলে প্লেস করতে পারছিলাম না। একসময় ওই জিম ছেড়ে দিয়ে ব্যবসা শুরু করি। বিদেশ থেকে প্রোটিন পাউডার এনে বিক্রি করতাম। ২০১৩-১৪ সালের দিকে একটা টিমও দিলাম ব্যবসার প্রমোশনের জন্য। বেশ কয়েকজন বডিবিল্ডার আমার টিমে ছিলেন। সবাই এখন মিস্টার বাংলাদেশ। ইন্টারন্যাশনালেও কেউ কেউ খেলছেন। তখন তাঁরা আমার হয়ে খেলতেন, বিনিময়ে তাঁদের প্রোটিন পাউডার সরবরাহ করতাম। বেশ জমজমাট একটা টিম ছিল। কিন্তু বছর দেড়েকের মাথায় সেটা ভেঙে যায়। হায়ার ন্যাশনাল ডিপ্লোমা দিয়ে এসিসিএ করার সময় মনে হলো, এটা ছয় বছরব্যাপী কোর্স। টানা পরিশ্রম করা লাগবে। তার চেয়ে কম সময়ে যদি অন্য কোনো বিষয়ে পড়াশোনা করা যায়, বিদেশের কোনো ডিগ্রি আনা যায়, ভালো হবে। আমি খুঁজছিলাম তেমন কিছু। বিমস সে সময় ইংল্যান্ডের হেরিয়ট ওয়াট ইউনিভার্সিটির সঙ্গে কলাবোরেশন করে একটা ডিগ্রি আনে। যার সিলেবাস, প্রশ্ন, খাতা দেখা, ডিগ্রি, সার্টিফিকেট—সব হবে ওদের অধীনে, তবে পড়াশোনাটা হবে শুধু বাংলাদেশে। সেটায় ভর্তি হয়ে গেলাম। এর মাঝে ব্যায়াম চালিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু আশানুরূপ ফল পাচ্ছিলাম না। ভাবছিলাম আসলে ঝামেলাটা কোথায়, কেন হচ্ছে না? ২০১৫ সালে আমার গ্র্যাজুয়েশন শেষ হলো। সে বছর আবার খেলাও ছিল। আমি চাইছিলাম ইংল্যান্ড গিয়েই সার্টিফিকেট এনে কনভোকেশন করব। কিন্তু ইংল্যান্ডের ভিসা না পাওয়ায় ওরা আমাকে মালয়েশিয়ায় তাদের রিজিওনাল ক্যাম্পাস থেকে সার্টিফিকেট নিতে বলে। মালয়েশিয়া হওয়ায় ভালোই হয়েছিল, পাশেই থাইল্যান্ড ঘুরে আসা যাবে। ওখানকার বডিবিল্ডিং বেশ প্রসিদ্ধ। অনলাইনে দেখলাম ‘পাওয়ার জোন’ নামের জিম আছে। সেখানে চাইওয়াথ নামের একজন ট্রেইনার আছেন, তাঁর কাছে গেলাম। সাত দিন ট্রেনিং করলাম। প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে। ফেরার সময় চাইওয়াথ আমাকে ডায়েট বলে দিলেন। ঢাকায় ফিরে তাঁর দেওয়া রুটিন অনুযায়ী ওয়ার্কআউট করে সে বছরই মিস্টার বাংলাদেশ খেলায় চ্যাম্পিয়ন হলাম।

মিস্টার ওয়ার্ল্ডে ষষ্ঠ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীও অভিনন্দন জানিয়েছিলেন হাসিবকে

২০১৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব বডিবিল্ডিংয়ের (আইএফবিবি) ‘মিস্টার এশিয়া’। খেলা ছিল চীনে। তখন এক মাসের জন্য আবার থাইল্যান্ড গেলাম লেভেল অ্যাডভান্স ডিপ্লোমা কোর্স করার জন্য। সেখানে পাওয়ার জোনের মালিক ডক্টর সিত্থির কাছে কোর্স করলাম। তিনি সাবেক মিস্টার ওয়ার্ল্ড। প্রচণ্ড কঠিন ছিল সেই ট্রেনিং। প্রথম দিন গিয়ে টাকা দিতে গেলে তিনি বলেছিলেন, আগে এক দিন ট্রেনিং করো। যদি টিকতে পারো, তাহলে টাকা দিয়ো। আমি টিকে গেলাম। কিন্তু রাতে জ্বর এসে গিয়েছিল। পরদিন জ্বর নিয়েই গেলাম জিমে। ট্রেনিংয়ের প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন রাতে জ্বর আসত। এক মাসের ট্রেনিং শেষে সিত্থি বলছিলেন, মিস্টার এশিয়ার জন্য তুমি বেশিই ছোট। আর ট্রেনিংও এত বেশি হয়নি, তবু তুমি খেলতে পারো অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য। মে মাসে খেলা ছিল। আমি হেরে গেলাম। আগস্টে আবার থাইল্যান্ডে গেলাম। কারণ তার পরেই ছিল ওয়ার্ল্ড ফিটনেস ফেডারেশনের (ডাব্লিউএফএফ) ‘মিস্টার এশিয়া’। মাঝে থাইল্যান্ডে একটা খেলা ছিল, মিস্টার বাংলাদেশ। যা হোক, ২০১৭ সালে ডাব্লিউএফএফের মিস্টার এশিয়া খেললাম লম্বা প্রস্তুতি নিয়ে। সেবার চ্যাম্পিয়ন হলাম। তারপর ২০১৮ সালে সিঙ্গাপুরে খেললাম মিস্টার ওয়ার্ল্ড। সেখানে হলাম ষষ্ঠ।

 

ট্রেনিং সেন্টার         

ট্রেনিং সেন্টার শুরু হয়েছে ২০১৭ সালের পর। থাইল্যান্ড থেকে অ্যাডভান্স ট্রেনিং করে এখানে এসে হেরিয়ট ইউনিভার্সিটির আদলে ট্রেনিং সেন্টার খুললাম। আমি ট্রেনিং করাব। কোর্স করাব, সনদ আসবে থাইল্যান্ড থেকে। ২০১৯ সালে আমি স্পোর্টস নিউট্রিশনের ওপর আরেকটা ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট কোর্স করেছি। সেটাও শুরু করেছি। এ যাবত্ আমার কাছ থেকে ট্রেনিং নিয়েছেন ১৭-১৮ জন। এঁদের মধ্যে বেশির ভাগ জিমের মালিক।

 

ভারত-বাংলাদেশ বডিবিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপ 

ওয়ার্ল্ড ফিটনেস ফেডারেশনের (ডাব্লিউএফএফ) সঙ্গে ন্যাশনাল অ্যামেচার বডিবিল্ডার্স অ্যাসোসিয়েশন এক হয়ে কাজ করে। এটির এশিয়া কমিটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশে নতুন একটি ফেডারেশন করার জন্য আমরা একটা বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতা আয়োজন করার কথা ভাবলাম। আবার ভারতের নাব্বা ডাব্লিউএফএফ কমিটিও চাইছিল প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে। যা হোক, আমাদের আর ওদের খেলোয়াড় নিয়ে জানুয়ারির ১১ তারিখে আমরা আয়োজন করেছি বডিবিল্ডিং অ্যান্ড পাওয়ার লিফটিং চ্যাম্পিয়নশিপ। যদিও পাওয়ার লিফটিং আলাদা, আমরা গ্লোবাল পাওয়ার লিফটিং অ্যাসোসিয়েশন থেকে অনুমতি নিয়ে এখানে একটা ইভেন্ট রেখেছিলাম ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য। প্রতিযোগিতায় মোট চারটি ক্যাটাগরিতে ভারতের ৪ জন আর বাংলাদেশের ৩৫ জন অংশ নিয়েছিলেন। তিনটি ক্যাটাগরিতে ভারতের বডিবিল্ডাররা আর একটি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের বডিবিল্ডার চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। বাংলাদেশের যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ও আমার ট্রেইনি।

 

নতুন যাঁরা বডিবিল্ডিংয়ে আসবেন      

নতুন যাঁরা বডিবিল্ডিং করবেন, শুরুতেই বডির ধরন আগে বুঝতে হবে। সেটা কি এন্ডোমর্ফ, মেসোমর্ফ, নাকি এক্টোমর্ফ। সেটা ঠিক করেই তাঁর ওয়ার্কআউট আর ডায়েট প্ল্যান ঠিক করতে হবে। দুই বেলা জিম করতে হবে। সকালে নাশতা খাওয়ার আগে কার্ডিও করে নিতে হবে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। আর রাতে ওয়ার্কআউট। শুরুতে ফুল বডি ওয়ার্কআউট করে, প্রতিটি মাসলকে ওয়ার্কআউটের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে হবে। এক থেকে দেড় মাস পর প্রতিটি পার্টের জন্য দুটি করে ওয়ার্কআউট করতে হবে। যেমন ধরুন, চেস্টের দুটি, বাইসেপসের দুটি আর ব্যাকের দুটি করে আইটেম করবেন। এটি ভাগ করে নেবেন। তারপর আলাদা করে আইসোলেশন ওয়ার্কআউট করতে হবে। প্রতিটি বডি পার্টের জন্য আলাদা করে কাজ করতে হবে। বডি টাইপের ওপর নির্ভর করবে সপ্তাহে কয়দিন ব্যায়াম করবে। এক্টোমর্ফ হলে সপ্তাহে চার দিনের বেশি ব্যায়াম করা ঠিক হবে না।

সবচেয়ে ভালো হবে একজন ভালো ট্রেইনারের কাছে গিয়ে দীক্ষা নেওয়া। ধৈর্য কম হলে শরীর গঠন হবে না। লম্বা সময় নিয়ে ব্যায়াম করতে হবে। বডিবিল্ডিং খরচসাপেক্ষ ব্যাপার, যাদের তেমন আয় নেই, তাদের জন্য এটা চালিয়ে যাওয়া কষ্টকর। তবে ঘরের খাবার খেলে খরচ কম আসবে। বাইরের খাবার বাদ দিতে হবে একেবারে। আর অভিভাবকদেরও একটু সাপোর্ট দেওয়া উচিত, কারণ এটি করলে বাজে নেশা হয় না। পেশা হিসেবেও বডিবিল্ডিংয়ের ভবিষ্যৎ ভালো।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা