kalerkantho

ফেসবুক থেকে পাওয়া

অপরাহ্নের গল্প

২২ জুন, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অপরাহ্নের গল্প

জীবনে হাজারো লোকের সঙ্গে পরিচয় হয়। কিন্তু মনে দাগ কেটে যায় বিশেষ কিছু মানুষ, বিশেষ কিছু স্মৃতি, বিশেষ কোনো জায়গা। এমন একটা স্মৃতিময় অধ্যায় হলো অনার্স লাইফ। চারটি বছর যাদের সঙ্গে কাটালাম, সেই মানুষগুলো নিয়ে নতুন করে লেখার কোনো ভাষা নেই; হতে পারে কেউ পছন্দের তালিকায় প্রথমে, হয়তো বা কেউ শেষে। কিন্তু মনের কোথাও না কোথাও মানুষগুলো একটুখানি জায়গা নিয়ে সবাই আছে। জানুয়ারির ১৪ তারিখ। শীতের বিকেল। পায়ের নিচে ঝরা পাতার মর্মর ধ্বনি। আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি ঘটল অনার্স জীবনের। সবার কাছ থেকে এক এক করে বিদায় নেওয়ার পালা। বুকের মধ্যে কী ভীষণ ব্যথা। চার বছরের স্মৃতিগুলো মনের জানালা দিয়ে উঁকি দিচ্ছে। বৃষ্টিভেজা সবুজ ক্যাম্পাস। ক্লাসের বেঞ্চিগুলো, সেমিনার, তথাকথিত ডার্করুম (প্র্যাকটিক্যাল রুম), ক্লাস শেষে সেলফি, বিরিয়ানি পার্টি, শিক্ষা সফর—সব স্মৃতিকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যেতে হবে—ভাবতেই চোখ জল আসছে। নিজেকে সামলাতে পারছিলাম না। ইচ্ছা করছিল থামিয়ে দিই আজকের অপরাহ্নের সময়টাকে। কয়েক কদম এগিয়ে আরো একবার পেছনে ফিরে তাকালাম। স্মৃতিগুলো কুড়িয়ে নিয়ে আবার হাঁটতে শুরু করলাম। মনে মনে বললাম, বেঁচে থাকুক ভালোবাসার গল্পগুলো।

—অদিতি চক্রবর্তী তৃণা

চট্টগ্রাম

মন্তব্য