kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মীদের ‘পেটালেন’ এমপি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মীদের ‘পেটালেন’ এমপি

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আখতারুজ্জামান আকতারের সাত কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে পবা-মোহনপুর আসনের এমপি আয়েন উদ্দিন ও তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে। গত বুধবার রাতে মোহনপুর উপজেলার ধুরোইল এলাকায় আকতারের নির্বাচনী পোস্টার টানাতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে ওই সাতজনকে আটক করে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার আগে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আয়েন উদ্দিন।

গতকাল দুপুরে আখতারুজ্জামান আকতার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি বেশ কিছু হামলা ও হুমকির মধ্য দিয়েই নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে আসছি। এর মধ্যে বুধবার রাতে এমপি আয়েন উদ্দিন ও তাঁর লোকজন আমার কর্মীদের পিটিয়েছেন। আমি এর বিচার চাই। আমি নির্বাচনী রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিব। ’

আকতার অভিযোগ করে জানান, ধুরোইলে তাঁর কয়েকজন কর্মী নির্বাচনী পোস্টার টানাতে গেলে তাঁদের বাধা দেয় এমপি আয়েনের লোকজন। খবর পেয়ে আকতারের নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট আবু রায়হান মাসুদসহ বেশ কিছু কর্মী দুটি মাইক্রোবাসে করে রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে সেখানে যান। এরপরই এমপি আয়েনের নির্দেশে ধুরোইল ইউপির চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে হামলা করা হয় আকতারের কর্মীদের ওপর। হামলাকারীরা মাইক্রোবাস দুটি ভাঙচুর করে। কিছুক্ষণ পর আয়েন সেখানে গিয়ে আকতারের কর্মীদের ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখেন। আয়েন ও তাঁর লোকজন আকতারের কর্মীদের লাঠি দিয়ে মারধর করে। খবর পেয়ে মোহনপুর থানার ওসি তৌহিদুল ইসলামসহ পুলিশ সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন। ঘটনাস্থল থেকে আবু রায়হান মাসুদসহ আকতারের সাত কর্মীকে উদ্ধার করে থানায় নেয় পুলিশ। এরপর তাঁদের আটকে রাখা হয়।

এমপি আয়েন বলেন, ‘আমি কাউকে মারপিট করিনি। আমি গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছি। ওরা রাতের আঁধারে এসে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছিল। তাই এলাকার লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়ে। ’

মোহনপুর থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম বলেন, একটি ঘটনা ঘটেছে। কয়েকজনকে থানায় রাখা হয়েছিল। সন্ধ্যার আগে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতা বহিষ্কার

গাজীপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মোকছেদ আলমকে বহিষ্কার করেছে আওয়ামী লীগ। গতকাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমতউল্লাহ খান বলেন, দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ায় গঠনতন্ত্রের আলোকে মোকছেদ আলমকে দলীয় পদসহ আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

ভোট কেনার অভিযোগ

বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে পাথরঘাটা উপজেলার সাধারণ সদস্য পদে দুই প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক ও সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হোসাইন গতকাল পাথরঘাটায় পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সম্মেলনে এম এ খালেক বলেন, বরগুনা-২ আসনের এমপি শওকত হাচানুর রহমান রিমনের উপস্থিতিতে ৯০ জন ভোটারকে ৩০ হাজার করে টাকা দিয়ে ভোট নিশ্চিত করতে কোরআন শরিফ ছুঁইয়ে শপথ করান এনামুল।

পরে এনামুল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আমার জনপ্রিয়তা দেখে আমার ও এমপি হাচানুর রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সুষ্ঠু নির্বাচনকে প্রভাবিত করছেন। ’

শওকত হাচানুর রহমান বলেন, কোনো অর্থ লেনদেনের ঘটনা ঘটেনি।

মেয়রের বিরুদ্ধে অভিযোগ

খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে জেলা পরিষদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী এস এম মোর্তুজা রশিদী দারা। এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে দারা বলেন, গত ৩ অক্টোবর খুলনা ক্লাবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শেখ হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে সভা হয়। সভায় প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার খুসিক মেয়র হারুনুর রশিদের পক্ষে ভোট চান এবং ভোটারদের কাছ থেকে ভোট বুঝে নেওয়ার হুমকি দেন।

 



সাতদিনের সেরা