kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

দুর্নীতি প্রকাশ করায় চাকরি হারালেন নারী শ্রমিক

ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

৭ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুর্নীতি প্রকাশ করায় চাকরি হারালেন নারী শ্রমিক

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় (আরইআরএমপি-৩) ও এলসিএস প্রকল্পের আওতায় রাস্তায় মাটি কাটার কাজে নারী শ্রমিক নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দুজন নারী শ্রমিকের অভিযোগ, তাঁদের নিয়োগ দিয়ে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়েছেন সুপারভাইজার মতিউর রহমান। তবে গণমাধ্যমে অভিযোগটি প্রকাশ করার পর একজনকে চাকরি থেকে বাদ ও অন্য এক নারী শ্রমিকের বেতন বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী রহিমা বেগম বলেন, ‘কয়েক দফায় মতিউর রহমান আমার কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে চাকরি দেন।

বিজ্ঞাপন

পরে আরো টাকা দাবি করলে টাকা না দেওয়ায় আমাকে চাকরি থেকে অন্যায়ভাবে বাদ দিয়ে আরো নারী শ্রমিক নিয়োগ দেন। আমার অসহায়ের কথা জানার পর রেখা আক্তার নামের এক নারী শ্রমিক আমার জন্য সুপারিশ করলে ওই নারীর বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়। ’

জানা যায়, তারাকান্দা উপজেলার কমিউনিটি অর্গানাইজার সাঈদা বেগম অসুস্থতার জন্য দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তারাকান্দা উপজেলার প্রকৌশলী কার্যালয়ের অফিস সহকারী মতিউর রহমানকে। এই সুযোগে মতিউর রহমান বিভিন্ন অজুহাতে নিরীহ শ্রমিকদের বাদ দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে নতুন নারী শ্রমিক নিয়োগ দিচ্ছেন। এ ছাড়া ১২৮ জন শ্রমিকের কাছ থেকে অফিস খরচের নামে ৩০০ টাকা করে কেটে নিচ্ছেন। এ অভিযোগ অস্বীকার করে মতিউর রহমান প্রতি মাসে অফিস খরচের জন্য ১০০ টাকা করে নেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

অভিযুক্ত মতিউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নিয়ম মোতাবেক রহিমা খাতুনকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ’

নারী শ্রমিকদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। ’

নারী শ্রমিকের কাছ থেকে ৩০০ টাকা করে নেওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘অফিস খরচের জন্য ১০০ টাকা করে নিই। ’

এ বিষয়ে তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজাবে রহমত (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী দুই নারী। ইউএনও এ বিষয়ে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অভিযোগের সত্যতা পেলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

 



সাতদিনের সেরা