kalerkantho

সোমবার । ২৮ নভেম্বর ২০২২ । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

এক সপ্তাহে ২০ বাড়ি পদ্মায় বিলীন

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

৬ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এক সপ্তাহে ২০ বাড়ি পদ্মায় বিলীন

পদ্মার ভাঙনে মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার বড় নওপাড়া গ্রামে এক সপ্তাহেই অন্তত ২০টি বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

উত্তাল ঢেউ আর প্রবল স্রোতের কারণে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের বড় নওপাড়া গ্রামে পদ্মার ভাঙন দেখা দিয়েছে। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে গ্রামের দুই শতাধিক পরিবারের বসতভিটা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ওই গ্রামের অন্তত ২০টি বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে।

গ্রাম ঘেঁষে পদ্মা নদীতে বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল এই নদীভাঙনের বড় একটি কারণ বলে মনে করছে স্থানীয়রা।

বিজ্ঞাপন

মুন্সীগঞ্জ-২ (লৌহজং-টঙ্গীবাড়ি) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি গত মঙ্গলবার দুপুরে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে এলাকাবাসীকে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এরই মধ্যে মিঠু মোল্লার ৪০০ বছরের পুরনো ভিটেবাড়ি পদ্মার গর্ভে চলে গেছে। এ ছাড়া কুতুব মোল্লা, ইউনুছ মোল্লা, মামুন মোল্লা, হাজী হোসেন মোল্লা, রাকিব মোল্লা, মুকুল মোল্লা, তাজুল শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদারসহ অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর আগে স্থানীয়রা ৫০ হাজার টাকা খরচ করে বাঁশ-খুঁটি ও বালুভর্তি ব্যাগ ফেলেছেন, কিন্তু ভাঙন রোধ করা সম্ভব হয়নি। হাজী হোসেন মোল্লা ও খোকন মোল্লা জানান, মাত্র অল্প সময়ের মধ্যে ২০-২৫ হাত জায়গা পদ্মা কেড়ে নেয়। ভাঙন রোধে ত্বরিত ব্যবস্থা না নিলে গ্রামটি বিলীন হয়ে যেতে পারে।

টেউটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জানান, গত রবিবার থেকে ভাঙন রোধে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা শুরু হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রণেন্দ্র শঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, ‘পদ্মায় অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন আর নদীর তীর ঘেঁষে শত শত বাল্কহেডের ঢেউয়ের আঘাতেই এ ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। বিআইডাব্লিউটিএর উচিত বাল্কহেড চলাচলে নদীর মাঝ দিয়ে চ্যানেল তৈরি করে চিহ্নিত করে দেওয়া। রবিবার থেকে আমরা  বালুর বস্তা ফেলা শুরু করেছি। আশা করছি, শিগগিরই ভাঙন রোধ সম্ভব হবে। ’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল জানিয়েছেন, পদ্মায় বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। এটা অব্যাহত থাকবে।



সাতদিনের সেরা