kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

মন্দিরপ্রতি কম দেওয়া হয়েছে ৪০০০ টাকা

চিতলমারী-কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

২ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মন্দিরপ্রতি কম দেওয়া হয়েছে ৪০০০ টাকা

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে মন্দিরপ্রতি বরাদ্দ দেওয়া চাল বিতরণে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারিভাবে প্রতি মন্দিরের জন্য ৫০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। কেজিপ্রতি ৪৮ টাকা দরে মোট ২৪ হাজার টাকায় সেই চাল বিক্রি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ; কিন্তু মন্দির কমিটির হাতে দেওয়া হয় মাত্র ২০ হাজার টাকা।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, চিতলমারীর ১৪৮টি মন্দিরের জন্য মোট ৭৪ হাজার কেজি (৭৪ টন) চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

কলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান বাদশা মিয়া ওরফে বাদশা শেখকে চাল বিতরণের দায়িত্ব দেওয়া হয়; কিন্তু তিনি মন্দির কমিটিকে বরাদ্দ বুঝিয়ে না দিয়ে সব চাল বিক্রি করে দেন।

চিতলমারী সদর ইউনিয়নের কুরমনি সর্বজনীন দুর্গামন্দির কমিটির সভাপতি দেবাশীষ বিশ্বাস বলেন, চিতলমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মন্দিরপ্রতি ৫০০ কেজি চাল গ্রহণের মাস্টাররোলে স্বাক্ষর রেখে ২০ হাজার করে টাকা দেওয়া হয়েছে। পরে জানতে পেরেছি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতি কেজি চাল ৪৮ টাকা দরে বিক্রি করেছে; কিন্তু আমাদের চার হাজার করে টাকা কম দিয়েছে। এভাবে ১৪৮টি মন্দিরকে সর্বমোট পাঁচ লাখ ৯২ হাজার টাকা কম দিয়ে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ’

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান বাদশা মিয়া বলেন, ‘অনেক চেষ্টার পর প্রতি কেজি ৪০ টাকা দরে চাল বিক্রি করতে সক্ষম হই। পরে প্রতি মন্দিরে ২০ হাজার করে টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। ’

চিতলমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অপূর্ব দাস বলেন, ‘মন্দির কমিটিগুলোর সুবিধার জন্য চালের বদলে টাকা দেওয়া হয়েছে। উপজেলার সব চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে কলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান বাদশা মিয়া চালগুলো বিক্রি করেছেন। পরে মন্দিরপ্রতি ২০ হাজার টাকা করে মোট ২৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা বিতরণ করেছেন। তবে মোট কত টাকার চাল বিক্রি করেছেন, তা জানি না। ’

 



সাতদিনের সেরা