kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

গেড়ে বসা কর্মীদের ঘুষের সিন্ডিকেট

খুলনা অফিস   

২ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গেড়ে বসা কর্মীদের ঘুষের সিন্ডিকেট

খুলনার স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) ঘুষ, কমিশন, বেনামি কাজ করাসহ নানা অনিয়মের সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন ঠিকাদাররা। প্রতিষ্ঠানটিতে পাঁচ বছর ধরে কর্মরত হিসাব সহকারী মো. আমিরুল ইসলাম, তিন বছর কর্মরত মেকানিক্যাল ফোরম্যান নরেশ চন্দ্র সাহা, ২১ বছর কর্মরত মাস্টাররোল কর্মচারী কার্যসহকারী নাসির উদ্দিন এবং মাস্টাররোল কর্মচারী লিপিকা সাহার নেতৃত্বে এই সিন্ডিকেট ও অনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব কাজে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে। এমনকি হিসাব সহকারী মো. আমিরুল ইসলামের ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ও ছবি পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি ভুক্তভোগী ঠিকাদাররা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), প্রধান প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন দপ্তরে এসব অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে কেবিএস-আরআইডিপি, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ও ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো উন্নয়নসহ ১৩টি প্রকল্পে কাজে ব্যয় হয়েছে প্রায় এক হাজার ৯০০ কোটি টাকা। এখানে প্রতিটি কাজে ৩ থেকে ১০ শতাংশ কমিশন কোনো ঠিকাদার না দিলে মাসের পর মাস বিল আটকে রাখা হয়। অভিযুক্তরা এভাবে শতকোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

ভুক্তভোগীরা অভিযোগে বলেন, অফিস মেরামত ও সংস্কারে গত দুই অর্থবছরে ৬০ লাখ টাকার কাজে কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করা হলেও সেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করেনি।

মাস্টারোল কর্মচারী নাসির উদ্দিন তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়গুলোর আরো খোঁজ নেওয়ার অনুরোধ করেন। অভিযোগ সঠিক নয় দাবি করে ফোরম্যান নরেশ চন্দ্র সাহা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘শুধু হয়রানির জন্য এ কাজ করা হয়েছে। ’

নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘যাঁদের নামে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, তাঁরাই (ঠিকাদার) বিষয়টির প্রতিবাদ করেছেন। অভিযোগগুলো সঠিক নয়। ’

 

 



সাতদিনের সেরা