kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

১৯ জন সাংবাদিক নানাভাবে হয়রানি-নির্যাতনের শিকার

সেপ্টেম্বরের মানবাধিকার পরিস্থিতির প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ১২টি মামলা করা হয়েছে। যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা, তাঁদের মধ্যে ছয়জন সাংবাদিক। সেপ্টেম্বরে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় অন্তত ১৯ জন সাংবাদিক নানাভাবে অপমান, নিপীড়ন, হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার গণমাধ্যমে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

গত এক মাসে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এবং এমএসএফ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে এমএসএফ জানায়, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রবলভাবে সমালোচিত হওয়া সত্ত্বেও এই আইনে মামলার নামে হয়রানি কমেনি, বরং এর যথেচ্ছ অপব্যবহারের বিষয়টি এ মাসে নতুন মাত্রায় ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

এমএসএফ মনে করে, বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনে মামলা না করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার মধ্য দিয়ে এর যথেচ্ছ অপব্যবহারের চিত্রটি সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে, যা হয়রানিমূলক ও অগ্রহণযোগ্য।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৯ জনের মধ্যে ১০ জন সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলায় আহত হয়েছেন। প্রকাশিত সংবাদের জন্য দুজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং একজনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। তিনজন পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা পেয়েছেন। হয়রানি ও অপমানের শিকার হয়েছেন তিনজন সাংবাদিক।  

এমএসএফ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করে জানায়, সেপ্টেম্বর মাসে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বন্দুকযুদ্ধের তিনটি ঘটনা ঘটেছে। আহত ব্যক্তিসহ ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পরিচয়ে পাঁচজন নাগরিককে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হেফাজতে দুজন মারা গেছেন। গ্রেপ্তার এড়াতে পালানোর চেষ্টায় পানিতে ঝাঁপ দিয়ে তিনজন মারা যান। অন্য একজনের পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে।

গত এক মাসে ৫০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। একটি ইউপিতে নির্বাচন-পরবর্তী দ্বন্দ্বের ঘটনা ঘটে। রাজনৈতিক সহিংসতায় এবং নির্বাচন-পরবর্তী দ্বন্দ্বে মোট চারজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়েছেন ৯০১ জন। কারা হেফাজতে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে তিন বাংলাদেশি নিহত হন। সীমান্ত এলাকা থেকে চারটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই মাসে ৯টি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। অন্তত ১৫টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ৯ জন নিহত হয়েছেন।

 

 



সাতদিনের সেরা