kalerkantho

শুক্রবার । ২ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সিলেটে অরেঞ্জ টাওয়ার

৬২ প্রবাসীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

সিলেট অফিস   

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিলেটে আবাসন খাতে ৬২ প্রবাসীসহ ৭০ জন বিনিয়োগ করে প্রতারিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ফ্ল্যাট ও শপিং মলে দোকান দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছ থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকা নেওয়া হলেও গত ১৬ বছরেও মালিকানা বুঝে পাননি তাঁরা। এ ঘটনায় চারটি মামলা করেছেন প্রবাসীরা। এর মধ্যে একটি মামলায় প্রকল্পটির চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক শেরিনকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বিজ্ঞাপন

বিনিয়োগকারী প্রবাসী আনিসুল হক চৌধুরীর মামলায় প্রধান আসামি শেরিনকে গতকাল বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। শেরিন উপজেলার মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

প্রবাসী বিনিয়োগকারীরা জানিয়েছেন, সিলেট নগরের ব্যস্ততম আম্বরখানা এলাকায় ১০০ ডেসিমেল জায়গার ওপর আবাসন অ্যাসোসিয়েটস (প্রা.) লিমিটেড নামে কম্পানির অধীন একটি প্রকল্প নেওয়া হয় ২০০৪ সালে। সেখানে ‘অরেঞ্জ টাওয়ার’ নামে ২২ তলা ভবন হবে। ভবনে সাততলা পর্যন্ত শপিং মল এবং বাকি ১৫ তলাজুড়ে ফ্ল্যাট তৈরির পরিকল্পনা করা হয়। প্রবাসী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে নানা অফার দেওয়া হয়। কেউ কম্পানির ডিরেক্টরশিপ কিনলে বিনিময়ে পাবেন তিন বেডরুমের একটি ফ্ল্যাট, শপিং মলে একটি দোকান এবং গাড়ি পার্কিংয়ের স্থান। তাঁদের এমন প্রস্তাবে সাড়া দেন প্রবাসীরা। শুরুতে যাঁরা ডিরেক্টরশিপ কিনেছেন তাঁদের দিতে হয়েছে ২০ লাখ টাকা করে। পরে যাঁরা কিনেছেন তাঁদের কাউকে ২৫ লাখ, কাউকে ৩০ লাখ টাকা গুনতে হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশের আটজন ও প্রবাসী ৬২ জন কম্পানিতে প্রায় ২০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন।

বিনিয়োগ করার দীর্ঘদিন পরও প্রকল্প আলোর মুখ না দেখায় দেশে এসে খোঁজখবর নিতে শুরু করেন প্রবাসীরা।



সাতদিনের সেরা