kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০২২ । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

আজ শুভ মহালয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আজ শুভ মহালয়া

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রতিমা সাজানো হচ্ছে। গতকাল রাজধানীর নর্থব্রুক হল জমিদারবাড়ি থেকে তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

আজ শুভ মহালয়া। এর মধ্য দিয়ে শুরু হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। আগামী ১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে পূজার মূল আনুষ্ঠানিকতা। ৫ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই উৎসব।

বিজ্ঞাপন

করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর সাত্ত্বিক পূর্জা-অর্চনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল দুর্গাপূজা। তবে এবার উৎসবমুখর পরিবেশে দেশের ৩২ হাজার ১৬৮টি পূজামণ্ডপে উদযাপিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।

দুর্গাপূজার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হলো মহালয়া। এই দিন থেকে দেবীপক্ষের শুরু। এই দিনেই কৈলাস থেকে পিতৃগৃহে আগমন করেন মা দুর্গা। শ্রীশ্রী চণ্ডিপাঠের মধ্য দিয়ে দেবীর আবাহন মহালয়া হিসেবে পরিচিত। আর এই চণ্ডিতে আছে দেবীর সৃষ্টির বর্ণনা। পুরাণ মতে, মহালয়ার দিন মহিষাসুর বধের দায়িত্ব নেন দেবী দুর্গা।

মহালয়া উপলক্ষে সারা দেশের মন্দির ও পূজা উদযাপন কমিটি বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে আজ সকাল ৬টায় ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে মহালয়ার ঘট স্থাপন, সকাল ৯টায় চণ্ডীপাঠ এবং সকাল ১১টা পর্যন্ত বিশেষ পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, আজ ভোর ৬টায় চণ্ডীপাঠ, চণ্ডীপূজা ও বিশেষ পূজা অনুষ্ঠিত হবে রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ মন্দিরে। নগরীর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, রমনা কালীমন্দির, স্বামীবাগের শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম ও মন্দির, রামসীতা মন্দির, জয়কালী মন্দিরসহ বিভিন্ন পূজামণ্ডপে চণ্ডীপাঠ, ধর্মীয় ভক্তিমূলক গান অনুষ্ঠিত হবে। স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরুত্ব বজায় রেখে আগত ভক্ত ও অতিথিদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হবে।

গতকাল ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মিলনায়তনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জে এল ভৌমিক বলেন, ‘গত বছরের চেয়ে এবার মণ্ডপের সংখ্যা ৫০টি বেশি। সব মণ্ডপেই নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। গত বছরের সহিংসতার কথা মাথায় রেখে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনেক বেশি সক্রিয়। তার পরও আমরা মনে করি, ৩২ হাজার ১৬৮টি মণ্ডপে সুরক্ষা দেওয়া খুব কঠিন। তাই আমরা প্রত্যেক মন্দিরে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করেছি, যারা রাতেও মণ্ডপ পাহারা দেবে। গত বছর পূজার সময় হামলার কোনো বিচার হয়নি। বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই বারবার ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে। ’

 

 



সাতদিনের সেরা