kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

অবশেষে গ্রেপ্তার আলকেস

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর শাহ আলী এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে বাসু মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেন তিনি। ১০ বছর আগে এ হত্যা মামলায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছিলেন আদালত। কিন্তু পলাতক থেকে তুচ্ছ কারণে দুই সহযোগীকেও হত্যার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বেপরোয়া বাস চালিয়ে হত্যা করেন এক পথচারীকে।

বিজ্ঞাপন

ডাকাতি-অবৈধ ব্যবসার মতো অভিযোগও আছে তাঁর বিরুদ্ধে।

আলোচিত এই অপরাধীর নাম আলকেস (৫২)। পরিচয় গোপন করে দেশের বিভিন্ন জেলায় আত্মগোপনে থাকার পর গত শুক্রবার ধরা পড়েছেন র‌্যাব-৪-এর হাতে।

গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪-এর পরিচালক ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হক। তিনি বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গত শুক্রবার গভীর রাতে বরিশাল মহানগরী থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এই ‘সিরিয়াল কিলার’কে।  

ডিআইজি মোজাম্মেল হক বলেন, মানুষ হত্যা তাঁর অনেকটা নেশা হয়ে উঠেছিল। কাউকে হত্যার পর তিনি কখনো ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি আবার পিরোজপুরে অবস্থান করতেন। কখনো তাঁর নিজ বাড়িও যাননি। বেশির ভাগ সময় বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নিতেন।

যে কারণে যাদের হত্যা

তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাব জানতে পেরেছে, ২০১২ সালের ১৪ মে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে রাজধানীর শাহ আলী এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে বাসু মিয়াকে গুলি করে হত্যা করেন আলকেস ও তাঁর সহযোগীরা। ঘটনার তিন মাসের মধ্যে আলকেসসহ মামলার বেশির ভাগ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। এরপর আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে চার মাস পর তাঁরা জামিনে মুক্ত হন। এরপর অন্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দিলেও আত্মগোপনে চলে যান আলকেস। ওই হত্যা মামলায় ২০২১ সালে আলকেস ও তাঁর পাঁচ সহযোগীকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় দুই আসামিকে। এর মধ্যেই আসামিদের মত বিরোধের ঘটনা ঘটে। পরে বাসু হত্যা মামলার আসামি আজাহার ও সানুকে হত্যা করেন আলকেস ও তাঁর অন্য সহযোগীরা।

 

 



সাতদিনের সেরা