kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

চার মাস পানির নিচে কমিউনিটি ক্লিনিক

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চার মাস পানির নিচে কমিউনিটি ক্লিনিক

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার কুমারজানী কমিউনিটি ক্লিনিকটি ডুবে আছে পানিতে। ছবি : কালের কণ্ঠ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাওয়ার কুমারজানী গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকটি প্রতি বছর প্রায় চার মাস ডুবে থাকে পানির নিচে। এ সময় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয় ক্লিনিকের পাশের গ্রামবাসীর বাড়িতে। এতে প্রতিনিয়ত বিব্রত হচ্ছে বাড়ির লোকজন ও সেবাগ্রহীতারা।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালে গ্রামে প্রতিষ্ঠিত ক্লিনিকগুলোর মধ্যে এটি একটি।

বিজ্ঞাপন

এর সেবাগ্রহীতা প্রায় ১০ হাজার। প্রতিদিন ৫০-৭০ জন রোগী এতে সেবা নিতে আসে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পানিতে ডুবে থাকা ক্লিনিক ভবনটির অবস্থাও জরাজীর্ণ। ভবনের বিভিন্ন অংশের প্লাস্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, রংও নষ্ট হয়ে গেছে।

মো. মোসলেম উদ্দিনের দান করা জমিতে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হয়। সামনে পাকা রাস্তা থাকলেও রাস্তা থেকে প্রায় ছয় ফুট নিচু জমিতে ক্লিনিকটির অবস্থান। বর্ষা শুরু হলেই জুন মাসের শেষ দিকে পানি জমে ডুবে যায় ক্লিনিকটি। আবার অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে এ পানি নেমে যায়।

ফলে বছরের প্রায় চার মাস পানির নিচে থাকে ১০ হাজার মানুষের একমাত্র চিকিৎসাকেন্দ্রটি। এই চার মাস গ্রামের লোকজনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক একেক বছর নিকটবর্তী একেক বাড়িতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মো. শরীফ মিয়া ও সহকারী রাবিয়া আক্তার বলেন, বাড়িতে গর্ভবতী মায়েদের চেকআপ করতে অসুবিধা হয়।

বাওয়ার কুমারজানি কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি জিয়াসমিন আক্তার বলেন, ‘আমার ক্লিনিকটি প্রতি বছর চার মাস পানির নিচে থাকে। আমি অন্যের বাড়িতে গিয়ে ওষুধ দিই। আমার অসুবিধা হয়। মানুষেরও সমস্যা হয়। ’

মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘ক্লিনিকটি রাস্তার চেয়ে একটু নিচু। বর্ষার পানি এলেই ক্লিনিকটি তলিয়ে যায়। ’

 

 

 



সাতদিনের সেরা