kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

বিকট শব্দে ফাটল, তিন দিন ধরে রোগী ভর্তি বন্ধ

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিকট শব্দে ফাটল, তিন দিন ধরে রোগী ভর্তি বন্ধ

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান ভবনে ২০ থেকে ২৫টি স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। ছয় থেকে সাতটি জায়গায় ছাদের ওপর থেকে পলেস্তারা খসে পড়েছে। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় গত বুধবার থেকে হাসপাতালে রোগী ভর্তি বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৫ সালে রাজনগর হাসপাতালটি নির্মিত হয়।

বিজ্ঞাপন

উপজেলার আটটি ইউনিয়নের প্রায় আড়াই লাখ মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল ৩১ শয্যার এই সরকারি হাসপাতাল। গত রবিবার রাত ১টা ২০ মিনিটের সময় হঠাৎ করে বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে রাজনগর হাসপাতালটি। এ সময় হাসপাতালে নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ রোগীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবন, বহির্বিভাগসহ বিভিন্ন জায়গায় ২০ থেকে ২৫টি ফাটল দেখা দেয় এবং ছয় থেকে সাতটি জায়গায় ছাদের ওপর থেকে পলেস্তারা খসে পড়েছে। এ ছাড়া হাসপাতালের ছাদ, দেয়াল, বিম, কলামসহ বিভিন্ন জায়গায় আরো ফাটল দেখা দিয়েছে। এরপর রোগী ভর্তি ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু থাকে। খবর পেয়ে স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী ও সিলেটের সুপারিনটেনডেন্ট প্রকৌশলী হাসপাতাল ভবনটি পরিদর্শন করেন। তাঁরা ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করলে গত বুধবার বিকেল থেকে রোগী ভর্তি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। শুধু হাসপাতালের জরুরি ও বহির্বিভাগ চালু রয়েছে। তাতেও মিলছে না পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা। ফলে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের সেবা পেতে নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরনো দোতলা ভবনের ছাদের বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে রড বের হয়ে আছে। দেয়াল, বিম ও কলামে ফাটল দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া রড থেকে কংক্রিট আলাদা হয়ে গেছে, গ্রিলগুলো বেঁকে গেছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে পেটের পীড়া নিয়ে রাজনগর হাসপাতালে এসেছিলেন উপজেলার গয়াসপুর গ্রামের মিজানুর রহমান। কিন্তু রোগী ভর্তি না নেওয়ায় তাঁকে আবার বাড়িতে ফিরে যেতে হয়েছে।

 

 

 



সাতদিনের সেরা