kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

মুহুরী নদী রক্ষা বাঁধে ভাঙন

ফেনী প্রতিনিধি   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মুহুরী নদী রক্ষা বাঁধে ভাঙন

ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় মুহুরী নদী রক্ষা বাঁধের দুই স্থানে আবার ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত রবিবার রাতে ও গতকাল সোমবার ভোরে নদীর পানি বিপত্সীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর এ ভাঙনের সৃষ্টি হয়। এতে উপজেলার উত্তর দৌলতপুর ও দক্ষিণ দৌলতপুর এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায়, গত রবিবার সন্ধ্যা থেকে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি মুহুরী নদীতে বাড়তে থাকে।

বিজ্ঞাপন

ওই সময়ে মুহুরী নদীর পানি বিপত্সীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। পানির প্রবল চাপে মুহুরী নদী রক্ষা বাঁধে ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। গতকাল ভোর রাত ৪টার দিকে উত্তর দৌলতপুর এলাকার বাহার মিয়ার স্কিমসংলগ্ন স্থানে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে থাকে। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দক্ষিণ দৌলতপুর এলাকার সেকান্দর মাস্টার বাড়িসংলগ্ন স্থানে বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। বাঁধ ভাঙা পানি ঢুকে আশপাশের বাড়িঘর ও ফসলি জমি ডুবিয়ে দেয়। তবে গতকাল দুপুরের দিকে পানির চাপ কমতে শুরু করে। এ সময় বিপত্সীমার ১০০ সেন্টিমিটার নিচে পানির প্রবাহ রেকর্ড করে পাউবো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ রানা জানান, উপজেলার দুটি স্থানে নদী রক্ষা বাঁধের ভাঙনে অন্তত ৫০ হেক্টর আমন জমিতে পানি ঢুকে পড়েছে। পানি জমে থাকলে অথবা পানির চাপ না কমলে এসব জমির ফসল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

ফেনীর ফুলগাজীর দৌলতপুরে বাহার মিয়ার স্কিম এলাকায় বাঁধ ভেঙে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করে। এতে কয়েক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গতকাল তোলা।             ছবি : কালের কণ্ঠ 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুন নাহার জানান, খবর পেয়ে পাউবোর কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধিসহ ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। পানি নামতে শুরু করেছে। শিগগিরই ক্ষতিগ্রস্ত স্থান মেরামত করা হবে।

পাউবোর ফেনীর নির্বাহী প্রকৌশলী জহির উদ্দিন জানান, গত রবিবার রাত থেকে প্রায় ১৬ ঘণ্টা যাবৎ মুহুরী নদীর পানি বিপত্সীমার ৮৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ সময় উত্তর দৌলতপুর ও দক্ষিণ দৌলতপুরের দুটি স্থানে বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। তবে সোমবার দুপুরের পর থেকে পানি বিপত্সীমার ১০০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে যাচ্ছে।

 

 



সাতদিনের সেরা