kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ অক্টোবর ২০২২ । ২১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

বিএনপির সভায় হামলা

খুলনা অফিস   

১৯ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিএনপির সভায় হামলা

লাঠিসোঁটা হাতে মোটরসাইকেল ভাঙচুর করছে হেলমেট পরা লোকজন। গত বুধবার রাতে খুলনা শহরের নিউ মার্কেট এলাকায়। ছবি : কালের কণ্ঠ

খুলনা মহানগরীর ওয়ার্ড বিএনপির কর্মিসভায় গত বুধবার রাতে হামলা হয়। এতে বিএনপির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয় এবং ভাঙচুর করা হয়।

বিএনপি নেতারা গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে অভিযোগ করেন, গত বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে নিউ মার্কেটসংলগ্ন বায়তুন নূর মসজিদের পাশে ১৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির কর্মিসভা শুরু হয়। সাড়ে ৭টার দিকে প্রতিপক্ষ দলের এক শীর্ষ নেতার নেতৃত্বে কয়েক শ কর্মী মিছিল স্লোগান দিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়, যাদের বেশির ভাগই ছিল হেলমেট পরা।

বিজ্ঞাপন

হাতে লোহার রড, লাঠি, বাঁশ নিয়ে স্লোগান দিয়ে তারা কর্মিসভায় উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তাদের বেধড়ক লাঠিপেটা করে। লোহার রডের আঘাতে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়। হামলাকারীদের অনেকে কর্মিসভা লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ও পাথরের টুকরা নিক্ষেপ করে। তারা সভার মঞ্চ, চেয়ার-টেবিল, মাইক ভেঙে ফেলে। এরপর সভাস্থলের সামনের রাস্তায় রাখা অন্তত ৩৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল ড্রেনে ফেলে দেয়। রাস্তার পাশের অনেক দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং টাকা-পয়সা লুট করে।

দলটির নগর আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এস এম শফিকুল আলম মনা বলেন, ‘বিনা উসকানিতে যুবলীগ-ছাত্রলীগ হামলা চালিয়েছে। একইভাবে নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির স্থলে আওয়ামী লীগ পাল্টা সমাবেশ আহ্বান করেছে। বিএনপি সংঘাতের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। তাই কর্মিসভা দলীয় কার্যালয়ে করা হচ্ছে। ’

প্রেস ব্রিফিংকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান প্রমুখ।

এ বিষয়ে মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক সফিকুর রহমান পলাশ বলেন, ‘বিএনপির কোন্দলের জেরে ওই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এখন তারা কোন্দলের দায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের ঘাড়ে চাপানো অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ’

নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসি মো. মোমতাজুল হক বলেন, পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে।

 



সাতদিনের সেরা