kalerkantho

রবিবার । ২ অক্টোবর ২০২২ । ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

২ অক্টোবরের মধ্যে জিয়ার মরণোত্তর বিচার শুরুর দাবি

সৈনিক পরিবারের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২ অক্টোবরের মধ্যে জিয়ার মরণোত্তর বিচার শুরুর দাবি

‘১৯৭৭ সালে খুনি জিয়ার গুম ষড়যন্ত্রে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর’ ব্যানারে গতকাল রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের কবরের সামনে মানববন্ধন করা হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

সেনা কর্মকর্তা ও মুক্তিযোদ্ধা হত্যার দায়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি করেছেন ১৯৭৭ সালে নিহত সৈনিক পরিবারের সদস্যরা। গতকাল রবিবার রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের কবরের সামনে ‘১৯৭৭ সালে খুনি জিয়ার গুম ষড়যন্ত্রে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর’ মানববন্ধনে এই দাবি তোলা হয়।

মানববন্ধনে সৈনিক পরিবারের সদস্যরা বলেন, আগামী ২ অক্টোবরের মধ্যে জিয়ার বিচার শুরু না করলে সচিবালয় ঘেরাও করে অনশনসহ কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে। পাশাপাশি ১৯৭৭ সালের ২ অক্টোবর সেনা ও বিমানবাহিনীর যেসব সদস্য জিয়ার সামরিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ফাঁসি, কারাদণ্ড ও চাকরিচ্যুত হয়েছেন, তাঁদের নির্দোষ ঘোষণা, তালিকা প্রকাশ, নিজ নিজ পদে সর্বোচ্চ র্যাংকে পদোন্নতি দেওয়া, সব ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে।

বিজ্ঞাপন

নিহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদ ঘোষণা করা এবং কবরস্থান চিহ্নিত করে তাতে নামসহ স্মৃতিস্তম্ভ তৈরির দাবি জানান তাঁরা।  

মানববন্ধনে জিয়ার কবর অপসারণ এবং ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসে যারা সৈনিকদের হত্যা করেছে, তাদের নামে কমিশন গঠন করার দাবিও জানান মানববন্ধনকারীরা। নিহত সার্জেন্ট দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী নুরুন নাহার বলেন, ‘৪৫ বছর হয়ে গেছে, আমি জানতে পারিনি আমার স্বামীর কবর কই আছে। কী অপরাধে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ পর্যন্ত আমরা ন্যায্য অধিকার পাইনি। যার কারণে আমাদের এই দশা তার কেন বিচার হবে না। ’

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সমন্বয়ক কামরুজ্জামান মিঞা লেলিন বলেন, ‘ইতিহাসের একটি নিকৃষ্ট ঘটনা ১৯৭৭ সালের ঘটনা। খুনি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটানো হয়। পবিত্র সংসদ ভবন এলাকা থেকে জিয়ার ভুয়া কবর অপসারণ করতে হবে। ’

 



সাতদিনের সেরা