kalerkantho

রবিবার । ২ অক্টোবর ২০২২ । ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

উপকূলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত বাড়িঘরে ঢুকছে পানি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উপকূলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত বাড়িঘরে ঢুকছে পানি

পূর্ণিমার প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারে খুলনার কয়রা উপজেলার কয়েক জায়গায় বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে নোনা পানি ঢুকছে। স্থানীয়রা গতকাল রবিবার কাদামাটিভর্তি বস্তা দিয়ে দিনভর পানি আটকানোর চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। দুপুরে বেশি উচ্চতার জোয়ারে বাঁধ ভেঙে যায়। এ ছাড়া ভোলা, বরগুনা, সাতক্ষীরাসহ উপকূলের অনেক এলাকা প্লাবিত হয়।

বিজ্ঞাপন

কোথাও কোথাও নদ-নদীর পানি বিপত্সীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

ভোলার মেঘনার তীরবর্তী ও বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল এসব চরাঞ্চল তিন থেকে চার ফুট পানিতে প্লাবিত হয়। দুই বেলা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হতে হচ্ছে ভোলা সদরের রাজাপুর, কাচিয়া ইউনিয়নের মাঝের চর, দৌলতখানের মদনপুর, হাজিপুর, তজুমদ্দিনের চর জহিরউদ্দিন, চরফ্যাশনের ঢালচর, চর কুকরিমুকরি, চর নিজাম, মনপুরার কলাতলীর চরসহ বিচ্ছিন্ন আরো ১০-১২টি চর। এসব চরের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার মানুষ কয়েক দিন ধরেই পানিবন্দি জীবন কাটাচ্ছে। ক্ষতির মুখে অনেক মাছ চাষি। আমন বীজতলা তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরাও। মানুষ দুর্বিষহ অবস্থার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী, মুন্সীগঞ্জ, গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জি এম মাসুদুল আলম জানান, গাবুরায় বেড়িবাঁধের বেশ কিছু স্থান মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। পানি উন্নয়ন বোর্ড এরই মধ্যে নদীর পানি প্রবেশ রোধে কয়েকটি স্থানে কাজ শুরু করেছে। তবে পূর্ণিমার জোয়ার যদি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হয় তবে এই জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ টিকবে না।

এ ছাড়া পিরোজপুরের ইন্দুরকানির ২০টি গ্রাম তলিয়ে গেছে। উপজেলার প্রায় পাঁচ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হয়েছে। বেশির ভাগ ফসলি জমি পানিতে ডুবে গেছে। বরগুনার আমতলী, তালতলী ও বেতাগীর অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

জানা গেছে, লঘুচাপের প্রভাব ও অতিবর্ষণ পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৫৯ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পেয়ে আমতলী পৌর শহরসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।



সাতদিনের সেরা