kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

বাকরুদ্ধ ৮ জেলের পরিবার মেলেনি সন্ধান

চরফ্যাশনে ট্রলারডুবি

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি   

১৪ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চরফ্যাশনে ট্রলারডুবির ঘটনায় পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও আট জেলের সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবার একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। থামছে না পরিবারগুলোর আহাজারি। পরিবারের আহাজারিতে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ও শশীভূষণ থানা রসুলপুর ইউনিয়নের পরিবেশ ভারী হয়ে আছে।

বিজ্ঞাপন

জানা যায়, গত মঙ্গলবার চরফ্যাশন উপজেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ঢালচর মৎস্যঘাট থেকে ইউসুফ মাঝি ১৩ জেলে নিয়ে পটুয়াখালী জেলার পায়রা বন্দর বয়ার চর থেকে ২৫-৩০ কিলোমিটার পূর্বে ও ঢালচরসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে যায়। সাগর উত্তাল হলে ফেরার মুহূর্তে ট্রলারটি ডুবে যায়। এতে পাঁচ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও বাকি আট জেলের এখন পর্যন্ত কোনো সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজ আট জেলে হলেন দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আবু পাটোয়ারীর ছেলে মো. রাছেল (২৮), ২ নম্বর ওয়ার্ডের মোকলেছুর রহমানের ছেলে মো. তছলিম (৩০), ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মো. জাফরের ছেলে মো. ইসমাইল (৩১), ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আ. মন্নান আকনের ছেলে আ. রহমান আকন (৪০) ও নাছির মাঝির ছেলে আ. মন্নান (৩৪), শশীভূষণ থানা রসুলপুর ইউনিয়ন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতান আহমেদ মল্লিকের ছেলে নাজু (৫০) ও মো. আক্কেল আলী বেপারীর ছেলে মো. ছাদেক (৪২) এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডের (আট কপাটের) আবু হাওলাদারের ছেলে মো. জুয়েল (২৯) এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ডসহ প্রশাসনের অন্য সংস্থাগুলো কাজ করছে বলে জানা যায়।

ডুবে যাওয়া ট্রলারের মালিক ইউসুফ মাঝির শ্যালক ছালাউদ্দিন কাজী জানান, বৈরী আবহাওয়ায় সাগরে প্রচণ্ড ঢেউয়ের কবলে পড়ে গত মঙ্গলবার (৯ আগস্ট ) ১৩ জেলেসহ ইউসুফ মাঝির মাছধরার ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় ইউসুফ মাঝিসহ পাঁচ জেলেকে উদ্ধার করা হয়।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল নোমান বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় লোকজন যৌথভাবে কাজ করছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।

 

 



সাতদিনের সেরা