kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

‘জনগণের প্রবেশাধিকার রুদ্ধ করা যাবে না’

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৪ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত জনগণের সম্পদ। সেটি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সরকারের। সেখানে জনগণের প্রবেশাধিকার রুদ্ধ করা যাবে না। গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সুলতান আহমদ মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ইজারা প্রদানে ‘নাগরিক স্বার্থ ক্ষুণ্নকারী’ পরিকল্পনার প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের সভাপতি ও বেসরকারি ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক সেকান্দার খান বলেন, ‘যার যার ব্যবসা সে করুক, আমাদের কোনো সমস্যা নেই। পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে জনগণের প্রবেশ বন্ধ করা যাবে না। সর্বসাধারণের যে অধিকার রয়েছে সেটি হরণ করা হচ্ছে। সার্কিট হাউসের মাঠ, ফয়’স লেক চলে গেছে। চাইলেও আমরা এমন নৈসর্গিক পরিবেশে বসে সময় কাটাতে পারব না। বাণিজ্যিকীকরণের কারণে সেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার রুদ্ধ করা হয়েছে। ’ 

এর আগে লিখিত বক্তব্যে প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া বলেন, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন সাত কিলোমিটার পরিসরের ১.৫ কিলোমিটার পরিসরকে পর্যটন জোন-১ ও পর্যটন জোন-২ হিসেবে ভাগ করে টেন্ডারের মাধ্যমে ২৫ বছরের জন্য বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ইজারা দিতে যাচ্ছে সিডিএ। তিনি বলেন, ‘যেকোনো উন্নতমানের নগরীতে সর্বশ্রেণির মানুষের অবকাশ ও বিনোদনের জন্য খেলার মাঠ, পার্ক ও উন্মুক্ত পরিসরের নেটওয়ার্ক থাকে। চট্টগ্রাম নগরে তার সিকিভাগও নেই। নানা উপায়ে তাতে সর্বসাধারণের প্রবেশাধিকার সীমিত বা বন্ধ করা হয়েছে। অথচ বর্তমানে উন্নত বিশ্বের পরিশীলিত নগরগুলোতে উন্মুক্ত পরিসর বৃদ্ধির জন্য রীতিমতো প্রতিযোগিতা চলছে। ব্যক্তিগত খাতে ইজারা দিয়ে বিস্তৃত সৈকত বা নদীতীরে প্রবেশমূল্যের বিনিময়ে কোথাও প্রবেশের অধিকার হরণ করা হয়েছে, এমন তথ্য আমাদের জানা নেই। ’

সংগঠন থেকে আরো বলা হয়, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের মতো একটি সর্বজনীন উন্মুক্ত পরিসরে ভ্রমণপিপাসুদের আগমন উন্মুক্ত রেখেও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব। সৈকতে আগতদের বিনোদন ও অবসরের পরিপ্রেক্ষিতে জলযান ভ্রমণ, ক্যাফে, রেস্টুরেন্ট, হরেক রকমের দোকান, খেলার ব্যবস্থা ইত্যাদি নির্মাণ করে সিডিএ নিয়ন্ত্রণাধীন রেখে এসব পরিচালনার সুযোগ লাভ এবং ব্যক্তিগত খাতে ইজারা দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে, যাতে বিনিয়োগকারী কর্তৃক নিরাপত্তাসহ ভ্রমণকারীদের সব সুবিধা নিশ্চিত করে সহজেই মুনাফা তুলে আনা যায়।



সাতদিনের সেরা