kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

মালিকানাস্বত্ব বিরোধ

মাসুদ রানা-কুয়াশা সিরিজের ৩১০ বই বিক্রিতে স্থিতাবস্থা

রায়ের বিরুদ্ধে সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কাজী আনোয়ার হোসেনের উত্তরাধিকারীদের আপিলের অনুমতি দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মালিকানাস্বত্ব সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সেবা প্রকাশনীর জনপ্রিয় ‘মাসুদ রানা’ ও ‘কুয়াশা’ সিরিজের ৩১০টি বই প্রকাশ ও বিক্রিতে ‘স্থিতাবস্থা’ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

সেই সঙ্গে এসব বইয়ের মালিকানাসংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কাজী আনোয়ার হোসেনের উত্তরাধিকারীদের আপিলের অনুমতি দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুরাদ রেজা ও হামিদুল মিসবাহ। রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটসের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ও মো. ইফতাবুল কামাল অয়ন।

বিজ্ঞাপন

কপিরাইটস অফিসের আইনজীবী মো. ইফতাবুল কামাল অয়ন জানান, এসব বইয়ের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে স্থিতাবস্থা জারি করায় সেবা প্রকাশনী বা অন্য যে কেউ ৩১০টি বই প্রকাশ বা বিক্রি করতে পারবে না।

আইনজীবী খুরশীদ আলম খান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মাসুদ রানা সিরিজের ২৬০টি এবং কুয়াশা সিরিজের ৫০টি বইয়ের লেখক শেখ আব্দুল হাকিম বইগুলোর ‘মালিকানাস্বত্ব’ দাবি করে সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কাজী আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনে অভিযোগ করেছিলেন। রায়ে কাজী আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনের দুটি ধারা লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয় এবং বইগুলোর প্রকাশ বা বণিজ্যিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয় কাজী আনোয়ার হোসেনকে।

কপিরাইট অফিসের এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ২০২০ সালে হাইকোর্টে রিট করেন কাজী আনোয়ার হোসেন। সে রিটের প্রাথমিক শুনানির পর হাইকোর্ট কপিরাইট অফিসের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে রুল দেন। ‘এখতিয়ারবহির্ভূত’ বিবেচনায় কপিরাইট অফিসের ওই রায় কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, জানতে চাওয়া হয় রুলে। সব পক্ষের শুনানির পর রুল খারিজ করে অর্থাৎ কপিরাইট অফিসের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে রায় দেন হাইকোর্ট।

এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন কাজী আনোয়ার হোসেনের উত্তরাধিকারীরা। গতকাল সে আপিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

 

 



সাতদিনের সেরা