kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

জাতীয় জাদুঘরের ১০৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

বঙ্গবন্ধু : মুক্তির অগ্রনায়ক শীর্ষক বিশেষ প্রদর্শনী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বঙ্গবন্ধু : মুক্তির অগ্রনায়ক শীর্ষক বিশেষ প্রদর্শনী

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২২ উপলক্ষে গতকাল ‘বঙ্গবন্ধু মুক্তির অগ্রনায়ক’ শীর্ষক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। ছবি : পিআইডি

জাদুঘর হচ্ছে উন্মুক্ত শিক্ষাকেন্দ্র, সভ্যতার স্মারক। একটি দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক-বাহক। সভ্যতার আলোকবর্তিকা হয়ে বাঙালি জাতির গৌরবান্বিত ইতিহাস জনগণের কাছে তুলে ধরতে অনন্য ভূমিকা পালন করে চলছে জাতীয় জাদুঘর। বাঙালির হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস জানার জন্য জাদুঘরের কোনো বিকল্প নেই।

বিজ্ঞাপন

এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রয়েছে অসামান্য অবদান। এর ধারা অনুসরণ করে বর্তমানে বাংলাদেশে শতাধিক জাদুঘর আছে।

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ১০৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘ঢাকা থেকে জাতীয় জাদুঘর : রূপান্তরের ইতিবৃত্ত’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে গতকাল এসব কথা বলেন বক্তারা। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী গ্যালারিতে জাদুঘরে সংরক্ষিত বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি নিদর্শন, বঙ্গবন্ধুর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের দুর্লভ আলোকচিত্র ও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কিত গ্রন্থের বিশেষ প্রদর্শনী ‘বঙ্গবন্ধু : মুক্তির অগ্রনায়ক’-এর উদ্বোধন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর পর্ষদের সভাপতি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে আলোচনা ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবুল মনসুর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মোকাম্মেল এইচ ভূঁইয়া, আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর পর্ষদের সদস্য উজ্জ্বল দত্ত এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান মো. আনোয়ারুল ইসলাম। স্বাগত ভাষণ দেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান।

মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ইতিহাস ঘটনাবহুল ও গৌরবময়। এ দেশের ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক, নৃতাত্ত্বিক, শিল্পকলা ও প্রাকৃতিক ইতিহাস সম্পর্কিত নিদর্শনাদি সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদর্শন ও গবেষণার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯১৩ সালে ঢাকা জাদুঘর নামে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। আজকে আমরা উদযাপন করেছি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের ১০৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ’



সাতদিনের সেরা