kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

মিরসরাইয়ে মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা

না ফেরার দেশে তাসমির

হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

৭ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



না ফেরার দেশে তাসমির

তাসমির হাসান

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কা দেওয়ার ঘটনায় তাসমির হাসান নামের আরেক শিক্ষার্থী মারা গেছে। গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় ১৩ জন মারা গেছে।

তাসমির চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ১২ নম্বর চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের যুগীরহাট এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত পারভেজের ছেলে।

বিজ্ঞাপন

সে এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ও কেএস নজুমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। তাসমিরের মৃত্যুতে এলাকায় আবারও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তাসমিরের চাচা জুলফিকার গত রাতে জানান, তাসমির সাত দিন ধরে আইসিইউতে মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটফট করেছে। চিকিৎসকরা বিকেলেই আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন। রাত ১০টার দিকে তাসমির মারা যায়। আজ রবিবার তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে।

তাসমিরের প্রতিবেশী মো. ইমতিয়াজ বলেন, তিন বছর আগে তাসমিরের বাবা পারভেজ মারা যান। বাবার মৃত্যুর পর দরিদ্র পরিবারের সন্তান তাসমিরের পড়ালেখা করার মতো অবস্থা ছিল না। গত বছর সে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করতে পারেনি। এবার পাস করার আশা নিয়ে তাসমির কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়। কিন্তু নিয়তি তাকে পরপারে নিয়ে গেছে।

গত ২৯ জুলাই সকালে চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের যুগীরহাট এলাকার আরএনজে কোচিং সেন্টার থেকে মিরসরাই পর্যটন এলাকার খৈয়াছড়া ঝর্না দেখতে যায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ১৮ জন। ঝর্না দেখে ফেরার পথে খৈয়াছড়া লেভেলক্রসিংয়ে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী প্রভাতি ট্রেনের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ ১১ জন নিহত হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাসমিরসহ মারা গেল আরো দুজন। একজন হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। গুরুতর আহত আরো চারজন চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।



সাতদিনের সেরা