kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১০ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৮ সফর ১৪৪৪

শিল্পকলা ও ছায়ানটের বাইশে শ্রাবণের অনুষ্ঠান

শ্রাবণ দিনের বিষণ্ন সন্ধ্যায় দুই মহান বাঙালিকে স্মরণ

সালেহ ফুয়াদ   

৭ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শ্রাবণ দিনের বিষণ্ন সন্ধ্যায় দুই মহান বাঙালিকে স্মরণ

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে গতকাল ছায়ানট ভবনে সংগীত পরিবেশন করেন ছায়ানটের শিল্পীরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

সংগীত, আবৃত্তি, সমবেত নৃত্য আর আলোচনার মধ্য দিয়ে দুই মহান বাঙালিকে স্মরণ করল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। আয়োজনটি ছিল শনিবার সন্ধ্যায় সেগুনবাগিচার জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলাকেন্দ্র মিলনায়তনে ‘শিল্পের আলোয় শ্রদ্ধাঞ্জলি : রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক অনুষ্ঠান।

সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতেই ‘ঐ মহামানব আসে’ গানের সঙ্গে একাডেমির শিল্পীরা সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন। এরপর একে একে চলে সমবেত নৃত্য ও একক সংগীত পরিবেশন।

বিজ্ঞাপন

আবৃত্তি করেন ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়।

এর আগে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন লেখক সাহেদ মন্তাজ, রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সাজেদ আকবর ও সালমা আকবর। বঙ্গবন্ধুর চেতনা গঠনে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব প্রসঙ্গে বাংলা একাডেমির উপপরিচালক ও লেখক সাহেদ মন্তাজ বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার শিকল ছিঁড়ে যে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন, তার পেছনে জাতীয়তাবাদের প্রবল উৎসাহ ছিল। এটি প্রকারান্তরে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য থেকেই পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু। রবীন্দ্রনাথের ‘দুই বিঘা জমি’ পড়ে ছোটবেলায় কবিতায় বাস্তুহারা মানুষের কথা পান বঙ্গবন্ধু। তাঁর কাছে মনে হয়েছিল এভাবে ভিটেহারা মানুষের কথা আর কেউ লেখেননি। তখন থেকেই রবীন্দ্রনাথের প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভালো লাগার শুরু বলা যায়। নির্যাতিত মানুষের মুক্তির আশ্বাস যাঁরা দিয়েছেন, রবীন্দ্রনাথকে তাঁদের অন্যতম মনে করতেন বঙ্গবন্ধু।

বাইশে শ্রাবণে ছায়ানটের নিবেদন

‘শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে’ সম্মেলক গানের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্র প্রয়াণ দিবসের ছায়ানট নিবেদিত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা শুরু হয়। এরপর ‘সীমার মাঝে অসীম তুমি’ ও ‘যেতে দাও যেতে দাও গেল যারা’ পরিবেশন করেন শিল্পী সেমন্তী মঞ্জরী।



সাতদিনের সেরা