kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

রেলগেটে গাড়ি থামে হাতের ইশারায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যারিয়ার বিকল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

৫ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রেলগেটে গাড়ি থামে হাতের ইশারায়

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের কোড্ডায় রেলগেটের ব্যারিয়ার নামে না। যেকোনো সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুলতানপুর থেকে চিনাইর-আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত প্রায় ১৪ কিলোমিটার সড়কে দুটি রেলগেট আছে। এটি একটি ব্যস্ত সড়ক। আবার রেললাইনটিও অত্যন্ত ব্যস্ত। প্রায়ই একসঙ্গে দুই লাইনে আপ ও ডাউন ট্রেন যায়।

বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে রেললাইনের দুই পাশে আটকা পড়ে যায় ২৫-৩০টির মতো যানবাহন। শঙ্কার বিষয় হলো, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার কোড্ডা এলাকার রেলগেটটির আপ লাইনের ব্যারিয়ার বিকল হয়ে আছে। যে কারণে গেটম্যানকে হাতের ইশারায় যান থামাতে হয়। প্রায়ই এ নিয়ে দেখা দেয় বিপত্তি। ঘটে যায় দুর্ঘটনা।

বুধবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি চোখে পড়ে। রেলগেটটির পশ্চিম অংশের মূল ব্যারিয়ারটি নষ্ট থাকায় গেটম্যান পূর্বদিকের ব্যারিয়ার ফেলে এসে দাঁড়িয়ে হাতের ইশারায় যান থামাচ্ছেন। অনেকে ইশারা দেখতে না পেয়ে এবং অনেকে দেখেও না দেখার ভান করে এগিয়ে এসে রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করছেন। দুপুর ১টা ৩৩ মিনিটে ঢাকাগামী চট্টলা ও ১টা ৪০ মিনিটে সিলেটগামী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস যাওয়ার সময় একই অবস্থা পরিলক্ষিত হয়।

পশ্চিম পাশে দাঁড়িয়ে দেখা যায়, আপ কিংবা ডাউন কোনো লাইন থেকে ট্রেন এলে দুই পাশে থাকা গাছের কারণে দেখা যায় না। আবার অনেক মোটরসাইকেলচালক সেটা বুঝতে পেরেও তাড়াতাড়ি যাওয়ার আশায় পার হয়ে চলে যাচ্ছে।

অটোরিকশার চালক সন্তোষ মালাকার বলেন, ‘কখনো কখনো গেটম্যান ও প্রান্তেই থাকে বলে ট্রেন আসার বিষয়টি বোঝার উপায় থাকে না। ’

রেলগেটটির পাশের দোকানি মো. আতাউর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘এ সড়কটি দিয়ে প্রচুর যানবাহন চলাচল করে। দীর্ঘদিন ধরে এক পাশের ব্যারিয়ার নষ্ট থাকায় গেটম্যান এক প্রান্তে গেট ফেলে অন্য প্রান্তে এসে ইশারা দিয়ে গাড়ি থামান। ’

দায়িত্বরত গেটম্যান সুজন পাল বলেন, ‘প্রায় দুই বছর যাবৎ এক পাশের ব্যারিয়ার নষ্ট হয়ে আছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষও বিষয়টি অবগত আছে। মাঝখানে একটি বাঁশের বেরিয়ার দিয়ে কাজ চালানো হলেও এখন সেটি নষ্ট। যে কারণে এক প্রান্ত বন্ধ করে এসে অন্য প্রান্তে দাঁড়িয়ে যানবাহন আটকাতে হয়। ’



সাতদিনের সেরা