kalerkantho

শনিবার । ২৬ নভেম্বর ২০২২ । ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

চার মাস ধরে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১ আগস্ট, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চার মাস ধরে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ

গত ১৩ মার্চ থেকে বন্ধ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার রানাশাল কমিউনিটি ক্লিনিক। ছবি : কালের কণ্ঠ

দীর্ঘদিন যাবৎ বন্ধ থাকা টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের রানাশাল কমিউনিটি ক্লিনিক কবে খোলা হবে তা জানে না এলাকাবাসী। প্রতিদিন ক্লিনিকটিতে চিকিৎসা নিতে আসা এলাকার রোগীরা চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। এতে ন্যূনতম চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে মা-শিশুসহ ওই এলাকার মানুষ।

শনিবার সরেজমিনে কমিউনিটি ক্লিনিক সেবাকেন্দ্রটিতে গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে।

বিজ্ঞাপন

গতকাল রবিবারও ক্লিনিকটি খোলা হয়নি বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।

জানা গেছে, গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকারের উদ্যোগে এ উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১৪ ইউনিয়নে ৫৪টি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর মধ্যে রানাশাল কমিউনিটি ক্লিনিক একটি। ক্লিনিকটি স্থাপিত হওয়ার পর থেকে রানাশাল, ভানুয়াবহ ও কলিমাজানি উত্তরাংশের গ্রামের লোকজন চিকিৎসাসেবা পাচ্ছিল।

২০১১ সালে পরিবার কল্যাণ সহকারী এবং ২০১৬ সালে স্বাস্থ্য সহকারী বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যান। সিএইচসিপি চামেলী আক্তার গত ১৩ মার্চ থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে আছেন। এ কারণে ক্লিনিকটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। তবে ক্লিনিকটি কবে খোলা হবে তা জানে না রানাশাল গ্রামের লোকজন।

রানাশাল গ্রামের রহিমা বেগম বলেন, ‘অনেক দিন ধরে বন্ধ থাকায় ওষুধ নিতে পারছি না। একজন প্রতি মঙ্গলবার আসত। এখন তা-ও আসে না। ’

রানাশাল গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মেয়ের ডায়রিয়া হয়েছে। শনিবার সকালে ওষুধ নিতে ক্লিনিকে এসেছিলাম। বন্ধ থাকায় পাশের দোকান থেকে খাবার স্যালাইন ও ধেরুয়া বাজার থেকে ওষুধ আনতে হয়েছে। ’

ক্লিনিকের পাশে দর্জি ব্যবসায়ী রানাশাল গ্রামের নান্নু মিয়া বলেন, ‘ক্লিনিকটি শেষ কবে খোলা হয়, তা আমার মনে পড়ছে না। এ জন্য গ্রামের লোকজন স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারছে না। ’

রানাশাল কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার (সিএইচসিপি) চামেলী আক্তার জানান, তিনি গত ১৩ মার্চ থেকে মাতৃকালীন ছুটিতে আছেন।

মির্জাপুর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সোহেলী শারমীন বলেন, ‘পরিবার কল্যাণ সহকারী পদ শূন্য রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ’

মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফরিদুল ইসলাম জানান, ৬৯ জন স্বাস্থ্য সহকারীর পদ থাকলেও এ উপজেলায় ৩৯ জন কর্মরত আছেন। এ ছাড়া রানাশাল কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রভাইডার (সিএইচসিপি) চামেলী আক্তার মাতৃকালীন ছুটিতে আছেন। ওই কমিউনিটি ক্লিনিকে শিগগিরই একজন স্বাস্থ্য সহকারী দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

 



সাতদিনের সেরা