kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

গোলটেবিল আলোচনায় মন্ত্রী-এমপি ও বিশেষজ্ঞরা

জলাশয়গুলোর ধারণক্ষমতা বাড়ালে বন্যার তীব্রতা কমানো যাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জলাশয়গুলোর পানির ধারণক্ষমতা বাড়াতে পারলে বন্যার তীব্রতা কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করেন মন্ত্রী-এমপি ও বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বন্যা প্রতিরোধে দেশের খাল-বিল, নদী-নালা, হাওর-বাঁওড়, বিলসহ অন্যান্য জলাশয় খননে পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

গতকাল সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সিলেট বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকা আয়োজিত ‘সিলেট অঞ্চলে ঘন ঘন বন্যা : কারণ, পুনর্বাসন ও স্থায়ী সমাধান’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নিয়ে তাঁরা এই আহ্বান জানান। সিলেট বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, ঢাকার সভাপতি আজিজুল পারভেজের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এম ফিরোজ আহমেদ, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপার সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি-বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কাজী মতীন উদ্দীন আহমেদ, রিভার অ্যান্ড ডেলটা রিসার্চ সেন্টার-আরডিআরসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এজাজ, বাংলাদেশ পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কামরুল ইসলাম চৌধুরী, সাংবাদিক এহসানুল হক জসীম প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন

আলোচনায় অংশ নিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘গত ৩০ থেকে ৩৫ বছরে হাওরে যে উন্নয়ন হয়েছে তার অনেক ক্ষতি করেছে বন্যা। বন্যায় ক্ষতি হয় বলে হাওরের উন্নয়ন বন্ধ করে দেব—এটা হতে পারে না। হাওরের মানুষও উন্নত জীবনযাপনের অধিকারী ও অংশীদার। শিগগিরই সিলেট-সুনামগঞ্জে পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হবে। ’ তিনি বলেন, বিনা মূল্যে বীজ ও সার ক্ষুদ্র চাষিদের মধ্যে প্যাকেট করে বিতরণ করা হবে। হাওরের বাসিন্দাদের যাদের কাঁচা ঘর, তাদের সিমেন্টের খুঁটি ও মেঝে পাকা করে দিতে পারলে ক্ষয়ক্ষতি কমবে।



সাতদিনের সেরা