kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

সন্তানদের বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন তদন্ত কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম এবং মাগুরা প্রতিনিধি   

৫ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সন্তানদের বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন তদন্ত কর্মকর্তা

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যায় অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের দুই সন্তানের জবানবন্দি নিয়ে সন্তুষ্ট নন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কর্মকর্তা আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক। তিনি দাবি করেন, শিশুরা বাবুলের পরিবারের সদস্যদের শিখিয়ে দেওয়া কথা বলেছে। তাদের কথা শিশুসুলভ ছিল না।

হাইকোর্টের নির্দেশনা নিয়ে গতকাল সোমবার তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক সন্তানদের জবানবন্দি নেন।

বিজ্ঞাপন

মাগুরা জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে হাজির হয়ে তিনি এ জবানবন্দি নেন। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে বাবুল-মিতুর ছেলে আক্তার মাহমুদ মাহির (১২) এবং কন্যা তাবাচ্ছুমকে (১০) জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। শিশুরা বর্তমানে মাগুরা সদরের কাউন্সিলপাড়ায় দাদার বাড়িতে থাকে। বাবুলের বাবা অবসরপ্রাপ্ত উপপুলিশ পরিদর্শক আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া শিশুদের নিয়ে গতকাল সমাজসেবা কার্যালয়ে আসেন।

জেলা সমাজসেবার উপপরিচালক আশাদুল ইসলাম জানান, মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী, সবার উপস্থিতিতে শিশুদের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের শিশুবিষয়ক কর্মকর্তা পারভীন সুলতানা এবং জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রভেশন কর্মকর্তা মেহেতাজ আরা।

বাবুলের বাবা আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া বলেন, ‘বাচ্চাদের বিরতিহীনভাবে তিন ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এ ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ অমানবিক মনে হয়েছে। ’

এ বিষয়ে আবু জাফর মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, ‘শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা বিবেচনায় রেখেই সময় নিয়ে কথা বলেছি আমরা, বিরতিহীনভাবে নয়। ’

শিশুদের বক্তব্য সম্পর্কে এই কর্মকর্তা জানান, এই বয়সের শিশুরা যে ভাষায় কথা বলে সেভাবে কথা বলেনি তারা। বাবুল-মিতুর সাংসারিক জীবন বিষয়ে যেসব বিষয় জানতে চাওয়া হয়েছিল তার সবই শিশুরা বলেছে শিখিয়ে দেওয়া বুলির মাধ্যমে। তাদের বক্তব্যে বাবুল আক্তারকে রক্ষার কৌশল ছিল।

তবে এই তদন্ত কর্মকর্তা আরো জানান, জিজ্ঞাসাবাদে শিশুরা জানায়, মিতুকে হত্যার সময় মাহিকে একজন ধরে রেখেছিল।  

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলে নেওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে মারা যান মিতু। এই ঘটনায় বাবুল আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পিবিআই। এরপর নতুন আরেকটি মামলায় বাবুলকে প্রধান আসামি করে মিতুর বাবা মামলা করেন।

 



সাতদিনের সেরা