kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

মির্জাপুর ও অভয়নগর

সড়ক ও সেতুতে বাতি জ্বলে না

ঈদ যাত্রায় বাড়াবে ভোগান্তি

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) ও অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি   

৫ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সড়ক ও সেতুতে বাতি জ্বলে না

যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভৈরব সেতুতে বেশির ভাগ বাতি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে আছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে (পুরাতন) মির্জাপুর উপজেলার দেওহাটা থেকে পুষ্টকামুরী চড়পাড়া পর্যন্ত পৌনে চার কিলোমিটার জুড়ে শতাধিক বাতি জ্বলছে না।

এ ছাড়া যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভৈরব সেতুর বেশির ভাগ বাতি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে রয়েছে। বাতি না জ্বলায় ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মির্জাপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের জুনে রাস্তা তৈরি হয়।

বিজ্ঞাপন

দুই পাশে ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৯২টি বাতি স্থাপন করা হয়। যার প্রতিটিতে খরচ হয়েছে ৩১ হাজার ২৫০ টাকা। এই বাতি স্থাপনের আগে মির্জাপুর পৌরসভা থেকে মহাসড়কের দুই পাশে বাতি স্থাপন করা হয়েছিল। প্রকল্পের বাতি স্থাপনের পর পৌর কর্তৃপক্ষ তাদের সড়ক বাতির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখে। প্রকল্পটির অধীনে বাতি স্থাপনের পর ২৪ মাসের মধ্যে প্রায় সব বাতি বন্ধ হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

গত রবিবার রাতে মহাসড়কের দেওহাটা থেকে পুষ্টকামুরী চড়পাড়া পর্যন্ত ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সব বাতি বন্ধ। যেসব বাতি জ্বলছে সেখানে একটু আলোকিত, আবার যেসব বাতি জ্বলছে না সেখানে ভূতুড়ে অন্ধকার। পুষ্টকামুরী এলাকায় পৌর কর্তৃপক্ষ ফের কয়েকটি বাতি স্থাপন করে।

এ সময় উপজেলা পরিষদের সাবরেজিস্ট্রি অফিসের প্রবেশমুখ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসা হয়ে বারোখালী সেতুর পূর্বপার পর্যন্ত এবং সেতুর পশ্চিমপার থেকে বাইমহাটী ছাপরা মসজিদ পর্যন্ত খুঁটির বাতি বন্ধ দেখা যায়। ওই এলাকায় রাস্তা রয়েছে অন্ধকারে। এতে সড়কটিতে মাদক বিক্রি, ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। এ ছাড়া ডাকাতি ঘটতে পারে বলে স্থানীয়রা আশঙ্কা করেছেন।

মির্জাপুর বাজারের বাসিন্দা আরাফাত রহমান ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বেশ কয়েক দিন ধরে এই রাস্তায় ভূতুড়ে অবস্থা। বড় ধরনের দুর্ঘটনা হলে, এর দায় কে নেবে?’

মির্জাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘অন্ধকারে কখন কী ঘটে, তার ঠিক নেই। ’

মির্জাপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বাতি না জ্বলায় মহাসড়কে ভূতুড়ে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ’

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক মাইনউদ্দিন বাশিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সড়ক ও জনপথ মির্জাপুর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘রাস্তার দুইপাশে ড্রেনের কাজ চলমান থাকায় খুঁটিগুলো নাড়াচাড়া করা হচ্ছে। এ ছাড়া প্রধান সুইচ শট সার্কিট হওয়ায় বাতিগুলো বন্ধ রয়েছে। দ্রুত পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সহায়তায় বাতিগুলো জ্বালিয়ে দেওয়া হবে। ’

এদিকে অভয়নগর প্রকৌশল দপ্তর সূত্র জানায়, ৭০২ মিটার দৈর্ঘ্য এবং আট মিটার প্রস্থের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৭৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স মার্কেটিং এটি নির্মাণ করে।

 



সাতদিনের সেরা