kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

মেঘনার ভাঙনে বিলীন বাড়িঘর-জমি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি   

৫ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেঘনার ভাঙনে বিলীন বাড়িঘর-জমি

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চরাঞ্চলের শ্রীনগর ইউনিয়নের পলাশতলী গ্রামে বসতভিটাসহ বেশ কিছু পরিবারের জমি মেঘনার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনার ভাঙনে ৭০টি বসতভিটাসহ জমি বিলীন হয়ে গেছে। এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও সরাইল উপজেলার অর্ধশতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি মেঘনার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চরাঞ্চলের শ্রীনগর ইউনিয়নের পলাশতলী গ্রামে ৭০টি বসতভিটাসহ বেশ কিছু পরিবারের জমি মেঘনার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। গত রবিবার বিকেল থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গত ২৮ জুন ১৫টি বসতভিটা, জমি ও গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

গত ৩৪ বছর ধরে মেঘনার ভাঙনে পলাশতলী গ্রামটি বিলীনের পথে। ঝুঁকিতে রয়েছে নদীপারের হাজারো বাড়িঘর ও সরকারি-বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বর্ষা শুরু হলে গত ২৮ জুন প্রথম নদীভাঙনে গ্রামটির ১৫টি বসতভিটা, জমি ও গাছপালা বিলীন হয়ে যায়। গত রবিবার বিকেল থেকে আবারও দ্বিতীয় দফায় ভাঙন শুরু হয়। এতে ৭০টি বসতভিটাসহ নদীগর্ভে চলে গেছে বিপুল পরিমাণ জমি। সোমবার পুনর্বাসন ও গ্রাম বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বাছেদ বলেন, ‘পলাশতলী গ্রামটি প্রায় বিলীন হয়ে গেছে। এখন যতটুকু আছে তা রক্ষার্থে দ্রুত একটি টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি। ’

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে গত কয়েক দিনের ভাঙনে উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চিত্রী, চরলাপাং, দড়িলাপাং গ্রামের অন্তত ২৫টি বাড়ি গত কয়েক দিনে মেঘনায় বিলীন হয়ে গেছে।

 

 



সাতদিনের সেরা