kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

চার লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শুল্ক কমানোর পর বেসরকারি উদ্যোগে চার লাখ ৯ হাজার টন চাল আমদানি করতে ৯৫টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে শর্ত সাপেক্ষে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এই অনুমোদনের ভিত্তিতে ৩০ হাজার টন আতপ চাল এবং তিন লাখ ৭৯ হাজার টন সিদ্ধ চাল আমদানি করতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। ১১ অগাস্টের মধ্যে আমদানি করা চাল বাজারজাত করতে হবে।

চালের ভরা মৌসুমেও দেশের বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় সরকার চাল আমদানির অনুমতি দেওয়ার উদ্যোগ নেয়।

বিজ্ঞাপন

গত ২৬ জুন আগ্রহী ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাহিদাপত্র আহ্বানের পর ৩০ জুন চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর নামের তালিকা প্রকাশ করে খাদ্য মন্ত্রণালয়। বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে চাল আমদানির এলসি চালু করে সেই প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে হবে। আমদানি করা চাল গুদামজাত করার তথ্য জেলা প্রশাসককে জানাতে হবে। আমদানির পর সেই চাল স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠানের নামে পুনরায় প্যাকেট করা যাবে না, আমদানির বস্তায় বিক্রি করতে হবে। আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এলসি চালু করতে না পারলে বরাদ্দ আদেশ বাতিল হয়ে যাবে।

দুই মাস ধরে সরু চালের দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। একই সঙ্গে বাড়ছিল মাঝারি ও মোটা চালের দাম। বর্তমানে বাজারে মোটা চাল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা এবং মাঝারি চাল ৫৫ থেকে ৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে বেশ কয়েক দফা পর্যালোচনার পর ২৫ জুন চাল আমদানিতে বিদ্যমান ৬২.৫ শতাংশ শুল্ক কমিয়ে ২৫ শতাংশে আনা হয়েছে। এর আগে চাল আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক, ২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, ৫ শতাংশ অগ্রিম কর এবং ৫ শতাংশ অ্যাডভান্সড ট্রেড ভ্যাটসহ (এটিভি) মোট ৬২.৫ শতাংশ শুল্ক ছিল। এর মধ্যে আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশের পুরোটাই প্রত্যাহার করা হয়েছে। আর নিয়ন্ত্রণমূলক আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। অগ্রিম কর হিসেবে ৫ শতাংশ এবং অগ্রিম আয়কর ৫ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা