kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

দেশে এক বছরে মিনিপ্যাক বর্জ্য প্রায় দুই লাখ টন

গবেষণা প্রতিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ জুলাই, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সদ্যোবিদায়ি অর্থবছরে দেশে ১০ লাখ ৬০ হাজার টন একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বর্জ্য জমেছে। এর মধ্যে এক লাখ ৯২ হাজার ১০৪ টনই বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর মিনিপ্যাক বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গতকাল শনিবার গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) রাজধানীর লালমাটিয়ায় নিজেদের কার্যালয়ে ‘প্লাস্টিক স্যাশে : স্মল প্যাকেট উইথ হিউজ এনভায়রনমেন্ট ডেস্ট্রাকশন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এই তথ্য তুলে ধরে।

গবেষণা অনুযায়ী, শুধু খাবারের (চিপস, টমেটো সস, জুস, গুঁড়া দুধ, কফি ইত্যাদি) মিনিপ্যাকেই ৪০ শতাংশ ক্ষুদ্র প্লাস্টিক বর্জ্য জমেছে।

বিজ্ঞাপন

প্রসাধনীর (শ্যাম্পু, কন্ডিশনার, টুথপেস্ট ও মাউথ ফ্রেশনার) ক্ষেত্রে এই হার ২৪ শতাংশ, ওষুধের (স্যালাইনের প্যাক, মেডিসিন স্ট্রিপ) ৮ শতাংশ এবং মসলা, বেভারেজ ও গৃহস্থালি পরিচ্ছন্নসামগ্রীর ৭ শতাংশ করে। বাকি ৭ শতাংশ বর্জ্য জমেছে অন্যান্য মিনিপ্যাকে।

বৈঠকে এসডোর সভাপতি সৈয়দ মার্গুব মোরশেদ বলেন, ‘প্লাস্টিকের মিনিপ্যাকেট পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক। প্লাস্টিকের মিনিপ্যাকেট আকারে ছোট হলেও পরিবেশে এর প্রভাব বিশাল। ’ তিনি সরকারের কাছে মিনিপ্যাক ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপের অনুরোধ জানান।

বৈঠকে বলা হয়, শুধু কক্সবাজারেই এক বছরে ৬৯ হাজার ৮৪১ টন (১৩ হাজার ৯৬৮ টন মিনিপ্যাক) একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক বর্জ্য মিলেছে, আর কুতুপালং এলাকায় এর পরিমাণ ৯ হাজার ৭৩ টন (এক হাজার ৬৩৩ টন মিনিপ্যাক)।

মিনিপ্যাক নিয়ন্ত্রণে আইনি কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে এসডোর নির্বাহী পরিচালক সিদ্দীকা সুলতানা বলেন, ‘জাতিসংঘ এনভায়রনমেন্টাল অ্যাসেম্বলি (ইউনিয়া ৫.২) এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে একটি আন্ত সরকারি কমিটি গঠন করার। বাংলাদেশসহ ১৭৫টি দেশ এই বৈশ্বিক প্লাস্টিক চুক্তিতে সম্মত হয়েছে। আমাদের উচিত নিজেদের এর জন্য প্রস্তুত করা। ’ 



সাতদিনের সেরা