kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৫ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

খামারগুলোয় জমে উঠেছে কোরবানির পশু বেচা-কেনা

মো. মাসুদ খান, মুন্সীগঞ্জ   

৩০ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খামারগুলোয় জমে উঠেছে কোরবানির পশু বেচা-কেনা

মুন্সীগঞ্জের খামারগুলোয় জমে উঠেছে কোরবানির পশু বেচা-কেনা। সরকারিভাবে কোরবানির গরু-ছাগল বেচা-কেনার জন্য হাট ইজারা দেওয়া হলেও এখনো সেখানে শুরু হয়নি বেচা-কেনা। বিপরীতে উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্তের অনেকে এরই মধ্যে খামার থেকে গরু-ছাগল কিনতে শুরু করেছেন। করোনার ঝুঁকি এড়াতে অনেকে গরু-ছাগলের হাটে যেতে চাইছে না।

বিজ্ঞাপন

যদিও খামারের গরুর দাম কিছুটা বেশি, তার পরও ক্রেতারা খামারের গরু কেনায় আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জের ছয়টি উপজেলায় দুই হাজার ১৮৪টি গরুর খামার রয়েছে। এসব খামারের গরু অর্গানিক পদ্ধতিতে লালন-পালন করা হয়। ফলে ঈদে কোরবানির পশু কেনায় ক্রেতাদের আগ্রহ খামারের গরুর প্রতি।

জেলার বৃহৎ খামার লৌহজংয়ের ডাচ্ ডেইরি লিমিটেড মাসখানেক আগে থেকেই কোরবানির পশু বিক্রি শুরু করেছে। প্রতিদিনই তারা অনলাইনে বেচা-কেনা করছে। আবার তাদের খামারের ভেতরে রয়েছে কোরবানির হাটের মতো হাট। এখানে ক্রেতারা এসে নিজেদের পছন্দের পশুটি কিনে নিচ্ছেন। অনেকে ভিডিওকলের মাধ্যমে স্বজনদের গরু দেখিয়ে পছন্দ করে কিনছেন।

খামারটিতে বাড়তি সুবিধা হিসেবে পিকআপে ক্রেতাদের বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে গরু। আবার গরু কেনার পর ক্রেতার সুবিধামতো পরেও পৌঁছে দেওয়া হয় গরু।

খামারটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিল্লুর রহমান রিপন মৃধা বলেন, ‘আমরা আধুনিক পদ্ধতিতে গরু লালন-পালন করি। এ বছর আমাদের প্রায় সাড়ে ৫০০ কোরবানির পশু রয়েছে। এরই মধ্যে আমাদের বেশির ভাগ পশু বিক্রি হয়ে গেছে। আমাদের ওয়েবসাইটে গরু দেখে অনেকে অনলাইনেও পশু কিনছেন। চাহিদামতো সময়ে ক্রেতাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে গরু।

জেলা প্রাণিসম্পদ প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা এনায়েত করিম জানান, জেলায় দুই হাজার ১৮৪টি গরুর খামার রয়েছে। এর মধ্যে ষাঁড় জাতীয় বা মোটাতাজাকরণ গরুর খামার রয়েছে এক হাজার ৫৮৮টি। কোরবানিতে এসব খামারে বিক্রিযোগ্য গরু রয়েছে ১৮ হাজার ৭২৭টি, ছাগল রয়েছে ৯১০টি। এসব খামারের গরু নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত।

 



সাতদিনের সেরা