kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৫ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

গোলটেবিল আলোচনা

পদ্মা সেতু নিয়ে মিথ্যাচারকারীদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩০ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পদ্মা সেতু নির্মাণে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বাধা দিয়েছে অথবা অসত্য তথ্য যারা সরবরাহ করেছে, তারা অপরাধী। তাদের বিচার করার বিকল্প নেই। অপরাধী কখনো পরিত্রাণ পেতে পারে না। তাদের অব্যাহতি দেওয়া হলে ভবিষ্যতে অনেকেই মনে করবে, এ দেশে কোনো ঘটনা ঘটালে কিছুই হয় না।

বিজ্ঞাপন

এখনো যারা পদ্মা সেতু নিয়ে মিথ্যাচার করে, তাদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

গতকাল বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সম্প্রীতি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘পদ্মা সেতু : সম্প্রীতির পথে সাফল্যের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সক্ষমতার চ্যালেঞ্জের বিজয় পদ্মা সেতু। অনেক প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বিশ্বের বিস্ময় পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, চাইলে আমরাও পারি। পদ্মা সেতু শেখ হাসিনার সততা, আত্মবিশ্বাস ও সাহসিকতার বিজয়গাথা। অবৈধ উপায়ে বাংলাদেশের উন্নয়নকে যারা বাধাগ্রস্ত করতে চেয়েছিল, পদ্মা সেতু তাদের মুখে চপেটাঘাত। এ সেতু বাংলাদেশের নিজের সৃষ্টি ও সামর্থ্যের স্বাক্ষর বহন করবে অনন্তকাল। ’

শ ম রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশের যেখানে দৃষ্টি দেওয়া হবে, সেখানে শেখ হাসিনাকে অস্বীকার করার উপায় নেই। মেট্রো রেল, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল, আট লেনের রাস্তা, দারিদ্র্য বিমোচন, দেশের সর্বোচ্চ রপ্তানি, বৈদেশিক মুদ্রার সর্বোচ্চ রিজার্ভ, করোনা মোকাবেলায় সাফল্যের দিক থেকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশের তালিকায়—সবখানেই শেখ হাসিনাকে খুঁজে পাওয়া যায়। বঙ্গবন্ধুকে বলা হতো নির্যাতিতের কণ্ঠস্বর, আর সাম্প্রতিক সময়ে শেখ হাসিনাকে বলা হচ্ছে দুর্গতদের কণ্ঠস্বর। মানবাধিকার সংরক্ষণে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায়, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় এবং সামাজিক সুরক্ষায় শেখ হাসিনাকে বাদ দিয়ে আলোচনার অবকাশ নেই।

মন্ত্রী যোগ করেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রজন্ম এ দেশে এখনো আছে। তারা আমাদের নতুন প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর, দেশের উন্নয়নের পথে ক্ষতিকর। তারা এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানানোর বদান্যতা দেখাতে পারেনি। এদের স্বরূপ উন্মোচন করতে হবে। ’

পদ্মা সেতুর কারণে দেশের সবার উন্নয়ন হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা সেতুর কারণে রাষ্ট্র উপকৃত হবে। অর্থনীতির উন্নয়ন হবে, মানবিকতার উন্নয়ন হবে। ’

সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী শিকদার, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. নাছিম আখতার, রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুভাষ সিংহ রায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিজামূল হক ভূঁইয়া প্রমুখ এ সময় আলোচনায় অংশ নেন।



সাতদিনের সেরা