kalerkantho

শুক্রবার । ৭ অক্টোবর ২০২২ । ২২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

মলম পার্টি ও ছিনতাইকারী চক্রের ২৬ সদস্য গ্রেপ্তার

তিনটি অ্যান্টিকাটার, ১১টি ব্লেড, ১০টি বিষাক্ত মলম, একটি চাকু, ৯টি মোবাইল ফোন ও তিন হাজার ২৯০ টাকা উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৯ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীতে মলম পার্টি ও ছিনতাইকারীচক্রের ২৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাদের ধরতে গত সোমবার রাতে খিলগাঁও, পল্টন, মুগদা, শাহজাহানপুর, শাহবাগ, মতিঝিল ও হাতিরঝিল এলাকায় অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে অজ্ঞান করা ও ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত বিষাক্ত মলম, টাকা ও দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

গতকাল মঙ্গলবার র‌্যাব-৩-এর স্টাফ অফিসার (অপস্ ও ইন্ট শাখা) পুলিশ সুপার বীণা রানী দাস বলেন, প্রতিদিন অজ্ঞান বা মলম পার্টি ও ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে সর্বস্ব হারিয়ে জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় অসংখ্য যাত্রী-পথচারী।

বিজ্ঞাপন

এসব ভুক্তভোগীর বেশির ভাগই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দ্বারস্থ হয় না। যার ফলে সংঘবদ্ধ অজ্ঞান পার্টি ও ছিনতাইকারীচক্রের তৎপরতা দিন দিন বেপরোয়াভাবে বাড়ছে। এই চক্রের সদস্যদের প্রায় সবাই মাদকাসক্ত। সাম্প্রতিককালে অজ্ঞান পার্টি ও ছিনতাইকারীচক্রের তৎপরতা বাড়ার বিষয়টি আমলে নিয়ে র?্যাব-৩ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। একটি দল রাজধানীর খিলগাঁও, পল্টন, মুগদা, শাহজাহানপুর, শাহবাগ, মতিঝিল ও হাতিরঝিল এলাকায় সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে এমন চক্রের ২৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে তিনটি অ্যান্টিকাটার, ১১টি ব্লেড, ১০টি বিষাক্ত মলম, একটি চাকু, ৯টি মোবাইল ফোন ও তিন হাজার ২৯০ টাকা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন এলাকায় অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা ঘোরাফেরা করে। সহজ-সরল যাত্রীদের টার্গেট করে ডাব, কোমল পানীয় কিংবা পানির সঙ্গে বিষাক্ত চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ানোর চেষ্টা করে। কখনো বাস ও ট্রেনে চড়ে যাত্রীদের পাশে বসে নাকের কাছে চেতনানাশক ওষুধে ভেজানো রুমাল দিয়ে তাদের অজ্ঞান করে থাকে। বিষাক্ত পানীয় সেবন করার বা বিষাক্ত স্প্রের ঘ্রাণ নেওয়ার পর যাত্রী অজ্ঞান হয়ে পড়লে তার সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে চক্রের সদস্যরা ভিড়ের মধ্যে মিশে যায়। এ ছাড়া কখনো ভিড়ের মধ্যে যাত্রীদের চোখে-মুখে বিষাক্ত মলম বা মরিচের গুঁড়া বা বিষাক্ত চেতনানাশক স্প্রে করে তাদের সর্বস্ব কেড়ে নেয়।

অন্যদিকে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীরা রাজধানীর বিভিন্ন অলিগলিতে ওত পেতে থাকে। সুযোগ বুঝে তারা পথচারী, রিকশা আরোহী, যানজটে থাকা সিএনজি অটোরিকশার যাত্রীদের ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে সর্বস্ব লুটে নেয়। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত জনশূন্য সড়ক, লঞ্চঘাট, বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন এলাকায় ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে।



সাতদিনের সেরা