kalerkantho

মঙ্গলবার। ৯ আগস্ট ২০২২ । ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১০ মহররম ১৪৪৪

প্রাণ পাচ্ছে মরা কপোতাক্ষ

কৌশিক দে, খুলনা   

২৯ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রাণ পাচ্ছে মরা কপোতাক্ষ

মৃতপ্রায় কপোতাক্ষ নদে চলছে খনন। সম্প্রতি তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

মহানগরী খুলনা থেকে আঁকাবাঁকা পথ পেরিয়ে পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী ও বাকারচরের দূরত্ব ৬৫-৭০ কিলোমিটার। এই এলাকার দুইদিকে সাতক্ষীরা, অন্যদিকে যশোরের সীমানা। সেখানে একসময় প্রবহমান ছিল কপোতাক্ষ নদ। তবে ভরাটের ফলে ২০০৬ সাল থেকে ওই এলাকায় কপোতাক্ষ নদ অস্তিত্ব হারাতে শুরু করে।

বিজ্ঞাপন

ধীরে ধীরে তা ভয়াবহ রূপ নেয়। আমন, বোরো ধানসহ তিন ধরনের ফসল আবাদ হওয়া ২০ হাজার বিঘা জমি রূপ নেয় এক ফসলি জমিতে। বর্ষা মৌসুমে পানিবন্দি হয়ে বাড়ি ছাড়তে হতো এলাকাবাসীকে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘কপোতাক্ষ নদের জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়)’ কাজ শুরু হওয়ায় এই সমস্যা সমাধানের নতুন আশা দেখছেন স্থানীয়রা। কপোতাক্ষ খননের পর সচল হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি দূর হবে। ফলে উপকৃত হবে অন্তত ১০ হাজার পরিবার।

জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ড যশোর ‘কপোতাক্ষ নদের জলাবদ্ধতা দূরীকরণ প্রকল্প’ (দ্বিতীয় পর্যায়) গ্রহণ করে। ২০২০ সালের ১৮ আগস্ট একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। প্রকল্পটিতে কপোতাক্ষ অববাহিকার জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে নদের উজান অংশে চৌগাছা থেকে মণিরামপুর পর্যন্ত ৭৫ কিলোমিটার ও নিচের অংশে পাইকগাছার বোয়ালিয়া থেকে কয়রার আমাদী পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার নদী খনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ মেরামতসহ সংযুক্ত খাল খনন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারি অর্থায়নে ২০২০ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২৪ সালের জুনে শেষ হবে। এতে ব্যয় হবে ৫৩১ কোটি সাত লাখ টাকা। তা ছাড়া এখানে পলি ব্যবস্থাপনা, টাইডাল প্রিজম বৃদ্ধি ও নিষ্কাশন ক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ৩৫ বছর মেয়াদি জোয়ার-ভাটা নদী ব্যবস্থাপনা (টিআরএম) কার্যক্রম চালানোর উদ্যোগ রয়েছে। এরই মধ্যে এক্সকাভেটরের মাধ্যমে খনন চলছে মরা কপোতাক্ষে।



সাতদিনের সেরা