kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১০ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৮ সফর ১৪৪৪

নৃত্যনাট্যে প্রেম-বিরহের লোকজ আখ্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘গহন কুসুমকুঞ্জ-মাঝে’ লিখে রবীন্দ্রনাথ যে ভারি খুশি হয়েছিলেন, তা লিখে গেছেন তাঁর ‘জীবনস্মৃতি’তে। বয়স যখন মাত্রই ১৬ থেকে ২৩, তখন রবীন্দ্রনাথ ছদ্মনামে লিখেছিলেন ‘ভানুসিংহের পদাবলী’। প্রাচীন পদাবলিতে রাধা-কৃষ্ণ ও তাঁদের প্রেমলীলাকে নাটকের আঙ্গিকে সাজানো হয়েছিল। ভাগ করা হয়েছিল পূর্বরাগ, মিলন, অভিসার, মান-অভিমান, বিরহসহ আরো অনেক পালায়।

বিজ্ঞাপন

রবীন্দ্রনাথের পদাবলীতে এ রকম আনুষ্ঠানিক ভাগ নেই। আছে প্রাচীন পদকর্তাদের অনুসরণে মৈথিলী ভাষায় লেখা বিচ্ছিন্ন কবিতা আর গান।

শান্তিনিকেতনের গুরু ও সংগীতসাধক শৈলজারঞ্জন মজুমদার ভানুসিংহের পদাবলীকে দিয়েছিলেন গীতিনাট্যের আদল। জাতীয় নাট্যশালা মঞ্চে গতকাল সোমবার উপস্থাপন করা হয় রবীন্দ্রনাথের সেই ভানুসিংহের পদাবলীর পুনর্বিন্যস্ত একটি নাট্যরূপ। রবীন্দ্রধারার ন্যৃত্যের সঙ্গে এতে মণিপুরি ও ভরতনাট্যমের মতো উচ্চাঙ্গ নৃত্যকলার সংযোজন ঘটিয়েছেন সামিনা হোসেন প্রেমা। ‘ভানুসিংহের পদাবলী’ ছাড়াও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শাপমোচন, পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের নক্সী কাঁথার মাঠ ও দ্বিজ কানাইয়ের বিখ্যাত নৃত্যনাট্য ‘মহুয়া’ পরিবেশিত হয়েছে একই মঞ্চে। আর তা হয়েছে গতকাল আয়োজিত নৃত্যনাট্য উৎসবের অংশ হিসেবে।

ভানুসিংহের পদাবলীই ছিল উৎসবের প্রথম পরিবেশনা। নৃত্যদল ‘ভাবনা’ সামিনা হোসেন প্রেমার পরিচালনায় মঞ্চস্থ করে এটি। পরবর্তী প্রযোজনাটিও ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শাপমোচন’।

 



সাতদিনের সেরা