kalerkantho

সোমবার । ৮ আগস্ট ২০২২ । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯ । ৯ মহররম ১৪৪৪

বন্যার্তদের মাঝে বিভিন্ন সংস্থার ত্রাণ কার্যক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বন্যায় সুনামগঞ্জ, সিলেট ও নেত্রকোনা জেলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সহায়তায় প্রাথমিকভাবে পাঁচ কোটি ১৬ লাখ টাকার ত্রাণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে আশা। এর আওতায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষের মাঝে শুকনা খাবার, ওরস্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ বড়ি, মোমবাতি, দিয়াশলাই ইত্যাদি সামগ্রী বিতরণ, বন্যাদুর্গত মানুষকে খাদ্য ক্রয়ে নগদ অর্থ সহায়তা এবং ফ্রি হেলথ ক্যাম্প স্থাপন করে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আশা কর্তৃপক্ষ।

বিজিবির ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত

দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় জনগোষ্ঠীকে উদ্ধার তত্পরতা এবং তাদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে বিজিবি।

বিজ্ঞাপন

গতকাল বিজিবির সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (২৮ বিজিবি) তত্ত্বাবধানে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বিরামপুর ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত ভাতেরটেক এলাকার ৩০০টি পরিবারের (প্রায় এক হাজার ২০০ জন) মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়নের তত্ত্বাবধানে সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়ন সদরের আশপাশের এলাকার বন্যাদুর্গত ১৫০ জনের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) তত্ত্বাবধানে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ইসলামপুর ইউনিয়নের বন্যাদুর্গত সীমান্তবর্তী কালাসাদেক বিওপির দায়িত্বপূর্ণ ভূরদেব এলাকার ২০০টি পরিবারের (প্রায় ৮০০ জন) মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিজিবির ময়মনসিংহ সেক্টরের নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) তত্ত্বাবধানে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার দায়িত্বপূর্ণ পাঁচগাঁও বিওপির অন্তর্গত পাঁচগাঁও ও চন্দ্রডিঙ্গা এবং মহেশখোলা বিওপির অন্তর্গত বাহেরপুর গ্রামের বন্যাদুর্গত ১০০টি পরিবারের (প্রায় ৪০০ জন) মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বন্যা শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশের সীমান্তবর্তী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজিবি। সিলেট ও সুনামগঞ্জ ছাড়াও লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনাসহ বন্যাকবলিত বিভিন্ন স্থানে সহায়তায় কাজ করছে বিজিবি।



সাতদিনের সেরা