kalerkantho

সোমবার । ৮ আগস্ট ২০২২ । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯ । ৯ মহররম ১৪৪৪

হাসপাতালে সেবা না পাওয়ার অভিযোগ

আশ্রয়কেন্দ্রে জন্ম, শিশুর নাম রাখা হলো প্লাবন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি   

২৩ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আশ্রয়কেন্দ্রে জন্ম, শিশুর নাম রাখা হলো প্লাবন

আশ্রয়কেন্দ্রে জন্ম নেওয়া শিশু প্লাবন। ছবি : কালের কণ্ঠ

ভারি বর্ষণ আর উজানের পানিতে ডুবেছে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বসতবাড়ি। দুর্গত মানুষ বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছে। এরই মধ্যে শনিবার জুড়ী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্রে ওঠেন অন্তঃসত্ত্বা আলেখা বেগমসহ তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরা। গতকাল বুধবার সকালে তাঁর কোলজুড়ে আসে সন্তান।

বিজ্ঞাপন

তার নাম রাখা হয়েছে প্লাবন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আলেখাদের (৩৫) বাড়ি জুড়ী উপজেলার সদর জায়ফরনগর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে। তাঁর স্বামী সোহেল মিয়া ভাড়ায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান। তাঁদের আরো এক ছেলে ও দুই মেয়ে আছে।

আলেখার স্বামী সোহেল মিয়া বলেন, ‘সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে স্ত্রী প্রথমবার প্রসব ব্যথা অনুভব করে। পরে জুড়ী থানা পুলিশের সহযোগিতায় দ্রুত তাকে পুলিশের ভ্যানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ, পানি, নার্স না থাকার কথা বলে রোগীকে পাশের উপজেলা কুলাউড়ায় অথবা বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে বলেন সেখানকার দায়িত্বরত এক চিকিৎসক। তবে বন্যার পানিতে সড়ক তলিয়ে থাকায় যাওয়া সম্ভব হয়নি। গভীর রাত হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করেও কোনো গাড়ির ব্যবস্থা করতে পারিনি। তেলসংকটে হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্সও বিকল হয়ে পড়ে আছে বলে জানান স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের লোকজন। নানা দুশ্চিন্তায় সেখানেই রাত কাটে। এ অবস্থায় পরের দিন মঙ্গলবার সকালে আশ্রয়কেন্দ্রে ফিরে আসি। ’

গতকাল বিকেলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সমরজিৎ সিংহ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘খবর পেয়ে নবজাতক ও প্রসূতির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। তারা উভয়ই সুস্থ। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশমন্ত্রীও নবজাতকের খোঁজ নিয়েছেন। আমরাও খোঁজ রাখছি। ’ তিনি আরো বলেন, চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার বিষয়ে প্রসূতির স্বজনদের অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

 

 

 

 



সাতদিনের সেরা