kalerkantho

শনিবার । ২৬ নভেম্বর ২০২২ । ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

নতুন ভোটারদের সন্তুষ্টি

আঙুলের ছাপ না মিললেও ভোট দিয়েছেন যতিশ

জহিরুল ইসলাম, কুমিল্লা থেকে   

১৬ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সকাল ৮টা ১০ মিনিট। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়ে স্ত্রী সরলা রানীর সঙ্গে ভোট কেন্দ্র থেকে বের হচ্ছিলেন যতিশ চন্দ্র। ৭৫ বছর বয়সী প্রবীণ এই ভোটারের স্ত্রী সরলা বলেন, ‘তিনি (যতিশ) চোখে দেখেন না। সারা দিন বাসায় থাকেন।

বিজ্ঞাপন

গত কয়েক দিন ধরে ভোট দেওয়ার জন্য জেদ ধরে আছেন। সবার আগে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে দেখি আঙুলের ছাপ মিলছে না। অনেকবার চেষ্টা করেও যখন ভোট দিতে পারছিলেন না, তখন বলেছিলাম বাসার ফিরে যাই, কিন্তু তিনি ভোট দিবেনই। পরে প্রিজাইডিং অফিসার ভোটার আইডি দিয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দেন। ’

পাশের ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেন আবু মোহাম্মদ শেখ সাদী। শহরের নিমতলীর এই বাসিন্দা বলেন, ‘বয়স হয়ে গেছে। শুরুতে ভাবছিলাম আসব না। পরে চিন্তা করলাম ভোট দেওয়া উচিত, তাই শারীরিক অসুস্থতা নিয়েও চলে আসলাম। ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে। ’

কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার শাহীনুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বেশি বয়সের অথবা অসুস্থ কোনো ব্যক্তি ভোট দিতে এলে আমরা লাইনের আগে দিয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছি। কয়েকজনের বয়সের কারণে আঙুলের ছাপ না মিললেও ভোটার আইডি নম্বর দিয়ে ভোট নেওয়া হয়েছে। ’

সরেজমিনে গতকাল বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, নবীন-প্রবীণ ভোটারদের মধ্যে ভোট নিয়ে ব্যাপক উত্সাহ। কুমিল্লা সদর দক্ষিণের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের চৌয়ারা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে কথা হয় নিকিতা পাল নামের এক কলেজ শিক্ষার্থীর সঙ্গে। নিকিতা বলেন, ‘প্রায় আড়াই ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়েছি। প্রথমবার ভোট দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। ’

দুপুর ১টায় ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের গোয়াল মথন আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে কথা হয় সাইফুল্লাহ নামের এক নতুন ভোটারের সঙ্গে। সাইফুল বলেন, ‘নিজের ভোট দিতে পারব কি না তা নিয়ে সংশয়ে ছিলাম। তবে ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ ভালো দেখে ভবিষ্যতের জন্য উত্সাহ পাচ্ছি। আমি নিজে ভোট দেওয়ার পর কয়েকজন বন্ধুকে নিজেদের ভোট দিতে মোবাইলে বলেছি। ’

ভিক্টোরিয়া কলেজ কেন্দ্রে ভোট দেন অর্পিতা সরকার। অর্পিতা বলেন, ‘খুব এক্সাইটেড ছিলাম আজকের ভোট নিয়ে। ভালো লাগছে, সুষ্ঠুভাবে ভোট হচ্ছে।

 



সাতদিনের সেরা