kalerkantho

সোমবার । ৮ আগস্ট ২০২২ । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৯ । ৯ মহররম ১৪৪৪

সিলেট ও পটুয়াখালীতে ছাত্রলীগ-ছাত্রদলের ধাওয়াধাওয়ি

ছাত্রদল নেতার বাসা থেকে তিন মোটরসাইকেল জব্দ

সিলেট অফিস ও পটুয়াখালী প্রতিনিধি   

২৪ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সিলেট নগরের চৌহাট্টা ও আলিয়া মাদরাসা ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের মধ্যে ধাওয়াধাওয়ির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় এক সাংবাদিক আহত হন। সিলেট জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন বলেন, ‘বিনা উসকানিতে আমাদের ওপর টিল ছোড়া হলে এক পর্যায়ে উত্তেজনা দেখা দেয়।

বিজ্ঞাপন

আমরা কোনো ধরনের সংঘর্ষে না জড়িয়ে চলে এসেছি। ’ তিনি আরো বলেন, ‘তারা সাংবাদিকের ওপর হামলা চালিয়েছে শুনেছি। এর তীব্র নিন্দা জানাই। ’

সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নাঈম আহমদ বলেন, ‘আমরা কর্মসূচি শেষ করে ফিরছিলাম। কিছু জুনিয়র সহকর্মী আলিয়া মাদরাসার ওখানে ছাত্রদলের কিছু ছেলেকে দেখে ধাওয়া দেয়। ’

এদিকে পটুয়াখালীতে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের মধ্যে ধাওয়াধাওয়িসহ ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এতে পথচারী এক শিশু শিক্ষার্থী আহত হয়। গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় শহরের কলেজ রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আল আমিন হাওলাদারের বাসা থেকে তিনটি মোটরসাইকেল জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।

জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে কটূক্তি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের নামে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল দুই নম্বর বাঁধঘাট থেকে শুরু হয়। বিএডিসি কার্যালয়ের সামনে দিয়ে সদর রোডের দিকে যাচ্ছিলাম। মিছিলটি সরকারি কলেজ অতিক্রমকালে ছাত্রলীগের কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। পুলিশ এসে আমাদের লাঠিপেটা করে এবং আমার বাসা থেকে তিনটি মোটরসাইকেল জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। ’ জেলা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সহসভাপতি আশীষ কুমার হৃদয় বলেন, ‘আমরা কোনো হামলা করিনি; বরং ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে শহরে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি

করতে চেয়েছিল। সেখানে আমরা ছাত্রলীগের কর্মীরা প্রতিহত করেছি, আর কিছু হয়নি। ’

 

 

 

 

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আব্দুল আলীম বলেন, ‘বাঘার ফজলি আমের ভৌগোলিক পরিচয় তুলে ধরার পাশাপাশি ডিএনএ পরীক্ষাও করা হয়েছে। শুনানিতে এসব তথ্য তুলে ধরা হবে। রাজশাহীর ফজলি আম চাঁপাইনবাবগঞ্জ বা ভারতের মালদার ফজলি থেকে আলাদা, তা এটাতেই প্রমাণিত হবে। কাজেই ফজলি আম রাজশাহীর এবং সেটির জিআই সনদ রাজশাহীরই থাকবে বলে আশা রাখি। ’

এদিকে ইসমাইল খান শামীম বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩০ শতাংশ আমবাগান ফজলির। এখানে ২০০ বছরের পুরনো বাগানও আছে। তাই তাঁরা দাবি জানিয়েছেন, ফজলি আম চাঁপাইনবাবগঞ্জেরই।

উল্লেখ্য, কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়া, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা এবং সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। জিআই সনদ পেলে বিদেশের বাজারে সেই পণ্যের দাম ভালো পাওয়া যায়। জিআই ট্যাগ ব্র্যান্ডিং হিসেবে কাজ করে। জিআই না থাকলে ক্রেতারা এটিকে ব্র্যান্ডেড বলে মনে করে না।



সাতদিনের সেরা